সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ♦ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ চায় সরকার - Amader Prokawshal
মঙ্গলবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:৩৯

শিরোনামঃ

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ♦ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ চায় সরকার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার সব দলের অংশগ্রহণ চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গত ৫-৮ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন। এ সফর নিয়ে গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোটবদ্ধ থাকবে নাকি এককভাবে অংশগ্রহণ করবে- এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করুক, সেটাই আমরা চাই। যদি কেউ না করে, সেটা যার যার দলের সিদ্ধান্ত। সেজন্য আমাদের সংবিধান তো আমরা বন্ধ করে রাখতে পারি না। সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে। আমরা চাই, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জোটবদ্ধভাবে করবে না এককভাবে করবে, তা সময়ই বলে দেবে। আমরা ১৪ দল করে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করেছি। জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করেছে। তবে আমাদের সঙ্গে সমঝোতায় ছিল। কিন্তু ভবিষ্যত নির্বাচনে কে, কোথায় থাকবে তা তো সময়ই বলে দেবে। আর আওয়ামী লীগ উদারভাবে কাজ করে, সব দরজা খোলা রাখে।’

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, এত কাজ করার পর জনগণ নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগকে ভোট দেবে, সেটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। যদি এ চলমান উন্নয়নের ধারাটা অব্যাহত রাখতে চান, না চাইলে তো কিছু করার নেই। সেটা জনগণের ইচ্ছা। সেক্ষেত্রে নির্বাচনে যারা সবসময় আমাদের সঙ্গে ছিল, তারা আমাদের সঙ্গে থাকবে এতে কোনো আপত্তি নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো নির্বাচনের ক্ষেত্রে মনোনয়নে পরিবর্তনটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। ক্ষেত্রমতে আমরা যাচাই করে দেখবো কার জেতার সম্ভাবনা আছে, কার নেই। তাছাড়া এখনো নির্বাচনের এক বছরেরও বেশি সময় বাকি আছে। সময় যত যাবে ততই বিষয়টা পরিষ্কার হবে। আমাদের সঙ্গে কে থাকবে, কে থাকবে না বা নতুন জোট হবে কি না? নতুন জোট হলে হোক, অসুবিধা নাই তো।

‘টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকায় অনেকেই ভুলে গেছেন ১৯৭৫ সালের পর দেশে বারবার ক্যু হচ্ছিল। কে কখন কী হয়ে যায়, তার ঠিক ছিল না। এই ছিল বাংলাদেশের অবস্থা’ উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ‘টকশো’ আয়োজকদের উদ্দেশে বলেন, আজকে আপনারা এত কথা বলেন, টকশো করেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে কে এত কথা বলেছে, বলেন তো? কেউ সেই সুযোগও পাননি। কারণ কথা বলার কোনো অধিকার ছিল না। কোথায় টকশো আর কোথায় মিষ্টি কথা, সে তেঁতুলের টকই হোক আর রসগোল্লার স্বাদ। কোনটাই তো কেউ পায়নি। তবে এখন শুনি, সব কথা বলার পরেও বলে, কথা বলার কোনো অধিকার নেই।

বিএনপির আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, এখন রাস্তায় আন্দোলন কিন্তু জনগণ সাড়া না দিলে সেটা তো আর আমাদের দায়িত্ব না। কিন্তু আওয়ামী লীগ যে বিএনপির হাতে নির্যাতিত, সেই কথা ভুলে গেলে চলবে না। আওয়ামী লীগের ওপর সবাই তো চড়াও হয়েছে। সেই জিয়াউর রহমান শুরু করলো তারপর একের পর এক। লাশ টানতে টানতে আর আহতদের চিকিৎসা করাতে নাভিশ্বাস উঠেছিল আমাদের।

আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, আজকে কিন্তু সেই পরিবেশ নেই। এমনকি আমার পার্টির যদি কেউ অন্যায় করে, আমরা কিন্তু ছেড়ে দেই না যে আমার দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে, কিছু করবো না, তা নয়। যে অন্যায় করবে তার বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নেবো এবং নিচ্ছি। আমি চাই, দেশের গণতান্ত্রিক ধারাটা অব্যাহত থাকুক এবং দেশে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আসুক।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন যারা তত্ত্বাবধায়ক বা ইত্যাদি বলে চিৎকার করছেন, তারা ওয়ান-ইলেভেনের কথা ভুলে গেছেন? ২০০৭ সালের কথা ভুলে গেছেন, কী অবস্থাটা সৃষ্টি হয়েছিল? সেখান থেকে তো সবাই অন্তত মুক্তি পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্বাধীনভাবে কথা বলার যে অধিকার, চলার অধিকার, সমালোচনার অধিকার, প্রশংসা করার অধিকার সবই তো পাচ্ছেন। কেউ তো কাউকে মুখ বন্ধ করে রাখছে না। কাউকে তো আমরা বাধা দিচ্ছি না। পূর্ণ স্বাধীনতা এটা তো আমি দিয়েছি, এটা তো স্বীকার করতে হবে।

ভারত সফরে শূন্য হাতে ফিরিনি
ভারত সফর করে শূন্য হাতে ফেরেননি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সফরে বাংলাদেশ কী পেলো, এটা আপেক্ষিক প্রশ্ন। বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে ভারত সব বিষয়েই সহযোগিতা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারত সরকারের আন্তরিকতার কোনো অভাব দেখেননি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র, যার সবদিকে ভারত। একপাশে ছোট্ট একটুখানি মিয়ানমার সীমান্ত। বাকি সীমান্তজুড়ে বঙ্গোপসাগর, এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো- বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারতের সব দল-মত এক থাকে।

বাংলাদেশের ইস্যুতে ভারত সবসময় আন্তরিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের সব রাজনৈতিক দল বাংলাদেশের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। পাশাপাশি ছিটমহল বিনিময়ের জন্য সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে স্থলসীমান্ত বিল পাস হয়েছিল। যখন দু’টি দেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হয়, তখন এটি বাস্তবসম্মত যে, অনেক ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। তবে সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আমি সবসময় মনে করি, আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত সমস্যা সমাধান করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের সফরে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি আছে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর রেল ও সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। একে একে সেগুলো তো সব চালু হচ্ছে।

ভারত সফর নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ভারত এতকিছু করার পরও বিএনপি বলে বেড়াচ্ছে কিছুই হয়নি। এটা মানসিকতা ও আত্মবিশ্বাসের বিষয়। বাংলাদেশ যাই করে ভারতের সঙ্গে সমান অধিকার ঠিক রেখেই করে।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের কথা ভুলে যায় বিএনপি। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখেই সব চুক্তি করে। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে ভারত সফর শেষে সংবাদ সম্মেলনে কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, গঙ্গার পানি চুক্তির কথা বলতে নাকি ভুলেই গেছেন। বিএনপি সবসময় দেশের স্বার্থের কথা এমন ভুলেই যায়।

এমনকি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পর ভারতের সব পণ্যের বাংলাদেশের বাজারে অবাধ প্রবেশাধিকার দিয়ে দিলে একরাতের মধ্যেই বাজার ভারতীয় পণ্যে সয়লাব হয়ে যায় বলেও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, এবারের সফরে কুশিয়ারার পানিবণ্টন চুক্তি সবচেয়ে বড় অর্জন। এ চুক্তির ফলে সিলেট অঞ্চলে ৫৩ হাজার ৮২০ হেক্টর এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণে কাজ করা সম্ভব হবে। এবারের সফরে গঙ্গার পর প্রথমবারের মতো অভিন্ন নদী কুশিয়ারা থেকে সুরমা-কুশিয়ারা প্রকল্পের আওতায় ১৫৩ কিউসেক পানিবণ্টনে সমঝোতা স্মারকে সই করেছি। এ সমঝোতা স্মারকের ফলে রহিমপুর সংযোগ খালের মাধ্যমে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারত ইতিবাচক
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারত ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করছে। নিজেদের মধ্যে অস্ত্রবাজি ও সংঘাত করছে। পরিবেশকে তারা আরও নষ্ট করছে। ভারতকে আমরা এ বিষয়টি বলেছি। ভারত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে ইতিবাচক। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মিয়ানমারকে নিয়ে। তারা দ্বন্দ্ব ও সংঘাতে লিপ্ত থাকে। ভারত মনে করে, এটার সমাধান হওয়া উচিত। তবে আমরা কোনো যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।

বাংলাদেশ জাতির পিতা ঘোষিত পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ নীতিতে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এর আলোকেই সরকার পাশ্ববর্তী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার মাধ্যমে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করলেও এ অঞ্চলের স্থিতি বিনষ্ট হয়নি।

সরকারপ্রধান বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য চিনি, পেঁয়াজ, আদা, রসুনের মতো সব পণ্যের রপ্তানি বন্ধের আগে বাংলাদেশকে আগাম বার্তা দেবে ভারত। সে অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার পদক্ষেপ নেবে।

 

অর্থপাচারকারীর তালিকায় স্বনামধন্য অনেকের নাম
আরেক প্রশ্নের জবাবে সামনে অর্থপাচারকারী আরও অনেকের নাম আসছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, অর্থপাচারকারী এমন অনেকের তথ্য আছে, সেটা আপনারা লিখবেন কি না সন্দেহ। আমি সোজা কথায় বলি, অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তির তথ্য আমার কাছে আছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আর বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সামনে তাদের নাম আসবে, তবে আপনারা ছাপাবেন কি না, সেটা আমি দেখবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুইস ব্যাংকে আমরা বহু আগে ডিমান্ড পাঠিয়েছিলাম, তালিকা চেয়েছিলাম। কিন্তু তালিকা আসেনি। মানিলন্ডারিং বন্ধে যথেষ্ট উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ডলার সংকট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের সমস্যা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে এ সংকট দেখা দিয়েছে। তবে দেশে ডলার নিয়ে কিছু গোপন খেলা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সে অনুযায়ী নজরদারি করা হয়েছে এবং সে কারণেই ডলারের অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থায় আনা।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে কোনো ব্যয় ছিল না। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরে যখন মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়, তখন এটা স্পষ্ট যে ব্যয়ের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেছে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ যখন কোনো উৎস থেকে ঋণ নেয়, সবসময় সময়মতো তা পরিশোধ করে। যে কারণে দেশটি কখনো খেলাপি হয় না। সুতরাং এটিও বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ওপর কিছুটা চাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

তিনি বিশ্ব মন্দায় উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে নিজেদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার ও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রানি এলিজাবেথের মরদেহে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

তিনদিনের ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম

পণ্যের মোড়কে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কিউআর কোড, স্ক্যানে বোঝা যাবে মান

২০২৩ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সব বিষয়ে

মিয়ানমার সীমান্তে এখনই সেনা মোতায়েন নয়: ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ♦ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ চায় সরকার

সাইবার অপরাধ এখন বিশ্বে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে : ড. বেনজীর আহমেদ

সাংবাদিকের ওপর হামলা : আসামিদের জামিন আবেদন ফেরত দিলেন হাইকোর্ট

দুই লাখ শিক্ষকের কাউন্সেলিং শুরু: শিক্ষামন্ত্রী

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতিতে বাংলাদেশ ১৯৫তম, ডাটায় ১৩০

দিনভর বৃষ্টি আর যানজটে বিরক্ত রাজধানীবাসী

২০২২-২৩ অর্থবছরে ‘গ্রামীণ সড়ক’ ‘সেতু’ এবং ‘কালভার্ট’ রক্ষণাবেক্ষণর পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও স্কিম অনুমোদন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ সর্বদা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে: প্রধানমন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৬ নভেম্বর

যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন

ব্রিটিশ সিংহাসনে আরোহণ উপলক্ষে রাজা তৃতীয় চার্লসকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

ভারতের সাথে মৈত্রী রক্তের বন্ধন : তথ্যমন্ত্রী

গুঞ্জন: সওজ’র দরপত্র জালিয়াতির ভূত সিপিটিইউ’র সরিষায়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা আফরিন শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীমুল হক ধরা ছোঁয়ার বাইরে

চাদঁপুরের হাইমচরে চেয়ারম্যান কর্তৃক জেলেদের চাল পাচারকালে চালসহ আটক ১

রাজধানী ডেমরার হাজী বাদশা মিয়া রোডে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মনিরের উৎপাতে অতিষ্ট এলাকাবাসী

গ্রাহকের টাকা নিয়ে নয়-ছয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের

প্রবাসীদের অর্থায়নে ঈদ উপহার বিতরণ

সেহরির সময় হলেই খাবারের ব্যাগ হাতে যুব অধিকার পরিষদ।

ডেমরায় সন্ত্রাসী কায়দায় বাড়িতে হামলা ও দোকান লুটপাটঃ গ্রেফতার ৩

ঢাকা-০৫ আসনে একাধিক প্রার্থীঃআলোচনার শীর্ষে নেহরীন মোস্থফা দিশি

আগে পণ্য পরে টাকা: স্বাগত জানাল কিউকম

ডেমরায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অজ্ঞাতনামা অটোরিকশা চালক নিহত

ডেমরায় হেলথ কেয়ার হসপিটালে র‍্যাবের অভিযান

ডেমরায় হত্যাচেষ্টা মামলার মূল নায়ক প্রেমিক ফাহাদকে ধরতে তৎপর প্রশাসন,মিলছে না খোঁজ

নিউজিল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ দলের স্পন্সর ‘ইভ্যালি’

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ডেমরা থানার তদন্ত অফিসার রফিকুল ইসলাম

নূর নবীকে ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

দীর্ঘ দেড় যুগ পর চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

ডিএসসিসির ৬৪,৬৫ ও ৬৬ নং ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলরের টেন্ডার বানিজ্য,ভোগান্তির শিকার এলাকাবাসী

দেড় যুগ পর অবশেষে ডেমরা থানা ছাত্রলীগের প্রতিটি ওয়ার্ডের সফল কমিটি ঘোষিত

বরপা পিজিওন ক্লাবের পূর্নমিলণী ও সভা অনুষ্ঠিত

বিজয়ের বর্ণিল সাজে সেজেছে কবি নজরুল কলেজে

ছেলে ও ছেলের প্রেমিকাকে হত্যা করল বাবা!


উপরে

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial