পর্ব-০১


প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান । দেশটির ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক , ব্রীজ , কালর্ভাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে।

এলজিইডিকে উন্নয়নের রুপকার হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন অনেকে । তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নানামুখী শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্ত হতে বসেছে এলজিইডি। চেইন অব কমান্ড ইতোমধ্যে মুখ থুবরে পড়েছে। নিয়োগ বদলিতে চলছে হযবরল অবস্থা । কিছু কিছু  প্রকল্প পরিচালক ইতোমধ্যে তাদের অপকর্মের কারণে জাতিয় ভাবে পরিচিতি পেয়েছেন। নানান অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পরও দাফতরিক ভাবে কোন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, রয়েছে এমন অগনিত অভিযোগ। মাঠ পর্যায়ের অবস্থা অরো করুণ। প্রতিষ্ঠনটির প্রশাসন উইং এর কর্মকান্ড নিয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।  নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বপালন করাদের প্রতিনিয়ত মুখোমুখি হতে হয় নানান হয়রানির, এমন মন্তব্য করেছেন অনেকে। সবখানে অনিয়ম দূর্ণীতি আর সেচ্ছাচারিতা। তবে পুকুর চোররা বড় হাজি সাহেব এই প্রতিষ্ঠানটির। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনও কিছু প্রকল্পে অনুস্বরণ করা হয়নি । সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রায় অর্ধশত অভিযোগ সম্বলিত তথ্য যাচাই বাচাই করে দেখা গেছে এক ভয়াবহ চিত্র।

ইতোমধ্যে ব্যপক ভাবে আলোচিত  নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল হাই। তার স্ত্রী রুমা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলাটি করেছে দুদক। এর আগে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে মামলা করে সংস্থাটি। প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম সংস্থার ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, রুমা আক্তার তাঁর নিজের নামে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৪ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। কিন্তু দুদকের সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির পর জমা দেওয়া বিবরণীতে ১ কোটি ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৮ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। তাঁর সম্পদ বিবরণীর তথ্য পর্যালোচনা ও অনুসন্ধান করে দুদক ১ কোটি ৮১ লাখ ১১ হাজার ১৯১ জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে।

এর আগে ৩ অক্টোবর এলজিইডির সদর দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এজাহারে বলা হয়, তিনি ২ কোটি ৯১ লাখ ৩৯ হাজার ১০২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। কিন্তু দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৮০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৫ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন। এ ছাড়া অনুসন্ধানে তাঁর ১ কোটি ৮৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬৬ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে।

এদিকে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) আয়রন ব্রিজ সংস্কার প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মেদ আলীর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে বরগুনার ঠিকাদাররা। বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নে সকল ঠিকাদারের পক্ষে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন ঠিকাদার গাজী ফারুক আহম্মেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ঠিকাদার গাজী সোহেল, জিএম হাসান, মামুন হাওলাদার, মোয়াজ্জেম খান ও মিরাজ।

অভিযোগে বলেন, বরগুনা এলজিইডির কতিপয় অসাধু ঠিকাদার বাদল খান, শহিদ খান, নিজাম তালুকদার ও আলমাস খান আমতলী উপজেলায় ৯৬ কোটি টাকার ভুয়া আয়রন ব্রিজ দেখিয়ে তার সংস্কারের টেন্ডার তৈরি করে ঢাকা আইবিআরপি প্রকল্পের কার্যালয় বরগুনা থেকে প্রেরণ করায়। অথচ আমতলীতে ওই সব ব্রিজের কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি।

ঠিকাদাররা আরও অভিযোগ করেন, ওই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন, পরিচালক আবদুল হাই, নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হুদা, আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী আতিয়ার রহমান, আমতলীর উপসহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, হিসাব রক্ষক আনছার আলী। ওই প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মেদ আলী এই জাতীয় ভুয়া প্রকল্প সৃষ্টি করে শত শত কোটি টাকা দুর্নীতি করেছে। তার মতো একজন দুর্নীতিবাজ অফিসার প্রকল্প পরিচালক হলে গোটা জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারা আরও বলেন, ওই প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী আহম্মেদ আলী কিছু দিনের মধ্য প্রজেক্ট পরিচালক হতে যাচ্ছেন। তিনি যদি প্রকল্প পরিচালক হন তাহলে সরকারের মারাত্মক ক্ষতি হবে। ক্ষতি হবে বরগুনার সাধারণ ঠিকাদারদের। এসময় উপস্থিত অন্য ঠিকাদাররা বলেন, আহম্মেদ আলীর মতো দুর্নীতিবাজ অফিসারকে চাকরি থেকে অনেক আগেই বিদায় করা উচিত ছিল।

ঠিকাদার নিজাম উদ্দিন তালুকদার বলেন, ভুয়া প্রকল্পের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। আমার লাইসেন্সে ভুয়া প্রকল্পে কয়েকজন ঠিকাদার টেন্ডারে অংশ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশ হলে সেই সব প্রকল্প সরকার বাতিল করে দেয়।

পৌর এলাকা উন্নয়নের নামে ৬০ কোটি টাকার টেন্ডার দুর্নীতিতে সমালোচিত এলজিইডির পটুয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল সাত্তারের বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ওই টেন্ডার দুর্নীতিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রকল্প বন্ধ করে দিলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং উচ্চ দপ্তরকে ম্যানেজ করতে তার ঘুষ লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশেষ বাহিনীর হাতে ঠিকাদারকেও লাঞ্ছিত হতে হয়। এছাড়া বিলের চেক আটকে ঘুষ আদায় করা, প্রাপ্ত কাজের অনুকূলে অনাপত্তিপত্র প্রদানে ঘুষ নেওয়া, চুক্তিপত্র ও বিলের ফাইল আটকে ঘুষ আদায়ের ঘটনায় এবং জামানতের চেক প্রদানে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ায় অতিষ্ঠ একাধিক ঠিকাদার ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রকৌশলীর এই ঘুষ-দুর্নীতির ঘটনা পটুয়াখালীতে ওপেন সিকরেট হলেও প্রকল্প জটিলতার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না কোনো মহল। চলতি মাসে নানা অনিয়মের অভিযোগে পটুয়াখালী এলজিইডির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড উপ-সহকারী কামাল হোসেনকে অন্যত্র বদলি করা হলেও প্রকৌশলী আব্দুল সাত্তার রয়েছেন বহাল তবিয়তে।

একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ- গত জুন ফাইনালে বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ পরিশোধের জন্য এলজিইডি কর্তৃক বিল প্রস্তুত করে জেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে পাঠানো হয়। নিয়মানুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো হিসাবরক্ষণ কার্যালয় থেকে চেক গ্রহণ করবে। অথচ নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল সাত্তার নিজেই অর্ধশত চেক কবজায় নিয়ে ঠিকাদারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। যে ঠিকাদার তাকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে সক্ষম হয়েছে তাকে চাহিদামতো বিল পরিশোধ করেছেন তিনি। এছাড়াও বিল পরিশোধের সময় বিশেষ জামানতের অজুহাত দিয়ে প্রায় অর্ধশত ঠিকাদারের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন তিনি। এ ঘটনায় পটুয়াখালী পল্লি স্টোরের ঠিকাদার গোলাম ছরোয়ার বাদল প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ- নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল সাত্তার ৫-৭ পারসেন্ট অর্থের বিনিময়ে দরপত্রের গোপন রেট ঠিকাদারকে দিয়ে কাজ বাগিয়ে নিতে সহায়তা করেন। এছাড়া টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর প্রাপ্ত ঠিকাদারকে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (ঘড়ধ) দিতে এক থেকে দেড় পারসেন্ট নেন তিনি। কোনো ঠিকাদার অতিরিক্ত টাকা দিতে আপত্তি জানালে প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি।

২০১৯-২০ অর্থবছরে আব্দুল সাত্তার দক্ষিণাঞ্চলীয় লোহার সেতু পুনর্নির্মাণ/পুনর্বাসন প্রকল্পের ১২টি গার্ডার ব্রিজ ও চারটি লোহার সেতুর দরপত্র আহ্বান করেন। ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ের ওই প্রকল্পের দরপত্রে ব্যবহার করা হয় ভৌতিক টেন্ডার আইডি। এছাড়াও টেন্ডার কমিটি, টেন্ডার যাচাই-বাছাইসহ দরপত্র প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির আশ্রয় নেন তিনি।

আমাদের প্রকৌশল এর ধারাবাহিক প্রতিবেদনে থাকবে তথ্যসমৃদ্ধ নেপথ্যের সকল খবর।গত এক বছরের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমনই আরো বেশ কিছ চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ফিরে দেখা :: 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা। ৬০ এর দশকে পল্লীপূর্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় এর পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে এলজিইডির বিশাল কর্মযজ্ঞ।

functions_bangla

পল্লি অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ এবং হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টার উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এলজিইডি যে অবদান রেখেছে তা আজ দৃশ্যমান। দেশের ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধি অর্জনে এসব অবকাঠামোর অবদান অপরিসীম। প্রত্যন্ত পল্লির মানুষ আজ সর্বোচ্চ দুই কিলোমিটারের মধ্যে পাকা সড়ক ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে। মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে পল্লির এসব অবকাঠামো ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এলজিইডি শহর ও নগর অঞ্চলেও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। নগর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে (পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন) কারিগরি সহায়তা প্রদান ও এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যবস্থা ও দক্ষতা উন্নয়নেও এলজিইডি সম্পৃক্ত।

দেশের কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতেও এলজিইডি বিশেষ ভূমিকা পালন করছে সারাদেশে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে। এসব প্রকল্পে স্থানীয় অংশীজনদের অংশগ্রহণে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণের ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সল্প ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় পর্যায়ে গ্রামীণ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এসব অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি সহায়তা প্রদান এলজিইডির কর্মতালিকার অংশ। একইসঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দিয়ে থাকে এলজিইডি।

উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নে অবকাঠামোর তথ্যভান্ডার, ম্যাপ, কারিগরি বিনির্দেশ (টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন), ম্যানুয়াল ইত্যাদি প্রণয়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে সংস্থার নিজস্ব কর্মকর্তা/কর্মচারী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে এলজিইডি।

বাংলাদেশে পরিচালিত প্রায় দ্বিপাক্ষিক এবং বহু-পার্শ্বীয় উন্নয়ন অংশীদার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে জড়িত।

গবেষণা ও উন্নয়নের থেমে নেই প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে – সফল ভাবে বেশ কিছু গবেষণা কর্ম সম্পন্ন করা হয়েছে ।
টুইন-পিট স্যানিটারি সিস্টেম, কম খরচে টেকসই মডেল হাউস নিমার্ণ, আন্তঃ-লকিং ইট, ভূ-গভস্থ পাইপ সেচ,
কম দামের কংক্রিট রোড রোলার, বেলন ট্রেলার, ফাইবার কংক্রিট ছাদ-টাইলস নিমার্ণ, অবকাঠামো উন্নয়নে সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে কাজ করেছে এলজিইডি।

এলজিইডি উন্নয়ন প্রকল্পগুলির বিকাশ অংশীদার হিসেবে রয়েছে-
এডিবি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এডিবি,আইডিবি ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক আইডিবি, পেট্রোলিয়াম রফতানিকারী দেশসমূহের সংস্থা ওপেক,নেদারল্যান্ডস সরকার GON,আইডিএ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমিতি / বিশ্বব্যাংক আইডিএ
উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য নর্ডা নরওয়েজিয়ান এজেন্সি NORAD, ইসি ইউরোপীয় কমিশন ইসি
সিডা সুইডিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সমবায় সংস্থা সিডা, সিআইডিএ কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সিআইডিএ, জাইকা জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, ইউনিসেফ জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শিশুদের জরুরি তহবিল ইউনিসেফ, AUSAID অস্ট্রেলিয়ান সরকারের বিদেশের এইড প্রোগ্রাম আউস এইড, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য জেবিআইসি জাপান ব্যাংক জেবিআইসি, আইএফএডি কৃষি উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক তহবিল আইএফএডি, কেএফডাব্লু ক্রেডিটানস্টাল্ট ফুয়েড উইরেডেরুফবাউ কেএফডাব্লু,জিটিজেড জার্মান এইড এজেন্সি জিটিজেড, জাপান জাপান সরকার জাপান, আন্তর্জাতিক উন্নয়নের জন্য ডিএফআইডি ইউকে বিভাগ ডিএফআইডি, ড্যানিডা ডেনিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ডানিডা, জেডিসিএফ জাপান Debণ বাতিলকরণ তহবিল জেডিসিএফ,ডাব্লুএফপি ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ডাব্লুএফপি,ইউএনডিপি ইউনাইটেড নেশনস ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম ইউএনডিপি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএসএআইডি এজেন্সি। (চলমান)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের রুপকার এলজিইডি। বাতির নীচে অন্ধকার

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
গুণগত ও মানসম্মত কাজের ব্যাপারে কারো সঙ্গে কোনো ‘কম্প্রোমাইজ’ হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। দুর্নীতি, অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
 রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘শ্রেষ্ঠ আত্মনির্ভরশীল নারী সম্মাননা-২০২১’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তাকে তা যথাযথ পালন করতে হবে। নিম্নমানের কাজের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক, তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। সারা দেশে এলজিইডির যে সুনাম রয়েছে, তা কেউ ক্ষুণ্ণ করবে—এটা বরদাস্ত করা হবে না।
মো. তাজুল ইসলাম আরও বলেন, প্রচার-প্রচারণায় নয়, কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে মানুষের সঙ্গে পরিচিত করতে হবে। নিম্নমানের কাজ করে বদনাম নেওয়া যাবে না। ছোটখাটো ভুলের জন্য বড় ধরনের ইমেজের ক্ষতি হয়। তাই ছোট হোক, বড় হোক—অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী জানান, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট টেকসই করতে হবে। টাকা সেভ করতে গিয়ে নিম্নমানের কাজ করা যাবে না। এ সময়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সব কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য এলজিইডির সর্বস্তরের কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, নেভিগেশন, হাইড্রোলজিক্যাল, জিওলোজিক্যাল ও মরফোলোজিক্যাল দিক বিবেচনায় না নিয়ে পাশাপাশি অথবা বিশেষ কোনো ব্যক্তির বাড়ির পাশে ব্রিজ নির্মাণ পরিহার করতে হবে।
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্রিজের নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নৌ চলাচলের বিষয়টি অবশ্যই প্রাধান্য দিতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে কোনো ব্রিজ নির্মাণ না করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে নারীদের অধিকার তুলনামূলকভাবে বেশি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নারীরা সবক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করছে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে। নারী ও পুরুষের কর্মকাণ্ডে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। তাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে, এলজিইডির জেন্ডার অ্যান্ড উন্নয়ন ফোরাম কর্তৃক নির্বাচিত পল্লী উন্নয়ন, নগর উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন—এই তিন ক্যাটাগরিতে মোট নয়জন নারীর হাতে আত্মমর্যাদাশীল নারী সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো.আব্দুর রশীদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মেজবাহ উদ্দিন আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য দেন।

অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি : এলজিআরডি মন্ত্রী

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলায় পল্লী যোগাযোগ সহ নানামুখি উন্নয়ন অকাঠামো নির্মান ছাড়াও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে চলতি অর্থ বছরে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এলজিইডি। এ অর্থের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণাঞ্চলের ৪২টি উপজেলায় ৪ হাজার ১৩৬টি স্কিম বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬শ কোটি টাকা বরাদ্ব অবমূক্ত করা হয়েছে। যারফলে অর্থ বছরের প্রথম ৬ মাসে প্রায় ৪২ ভাগ ভৌত অবকাঠমোর কাজ শেষ হয়েছে। আর্থিক অগ্রগতিও প্রায় ৪০%।
নতুন প্রকল্প ছাড়াও অতীতে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর রক্ষনাবেক্ষন ও মেরামত কাজে এলজিইডি  কর্মজজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। পাল্লী যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মান ছাড়াও দক্ষিনাঞ্চলে ৪২টি উপজেলা যুড়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনগুলোর মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষনে এলজিইডি গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করছে। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনসমুহের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সীমানা প্রাচীর ও গেট পর্যন্ত নির্মান করছে এলজিইডি। এমনকি সড়ক ও সেতু ছাড়াও পল্লী এলাকার হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টার নির্মান এবং মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষনে বিশেষ ভূমিকার কথা জানিয়েছে এলজিইডি’র বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ওয়হিদুর রহমান।
চলতি অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ১৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যায়ে দক্ষিণাঞ্চলে ২,৫১৭টি নতুন স্কিম ছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় ১৮২.১৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ৩৫৪টি স্কিম বাস্তবায়ন কাজ করছে। এছাড়া প্রথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ১৭১.৬৭ কোটি টাকা ব্যায়ে আরো ১ হাজার ২৬৫টি স্কিম বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি।
অতীতে নদ-নদী বহুল ও কৃষিনির্ভর দক্ষিণাঞ্চলের পল্লী এলাকায় পাকারাস্তা এবং কংক্রীটের সেতু ও কালভার্ট ছিল অনেকটাই স্বপ্নের মত। সে অবস্থার পরিবর্তন এসেছে ইতোমধ্যে। প্রায় ৫১ হাজার কিলোমিটার গ্রামীন, ইউনিয়ন ও উপজেলা সড়ক দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ সামাজিক ব্যবস্থায় ব্যপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। এসব সড়ক ছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলে বিপুল সংখ্যক সেতু ও কালভার্ট উন্নয়ন সম্পন্ন করেছে এলজিইডি। এছাড়াও প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীন, ইউনিয়ন ও উপজেলা সড়কের উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার গ্রামীন সড়ক এবং প্রায় ৪ হাজার সেতু ও কালভার্ট নির্মানে ব্যায় হয়েছে সোয়া ৫শ কোটি টাকা।
‘দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশালের সানুহার ও ধামুড়া ও সাতলা উপজেলা সড়কের ২৩ কিলোমিটারে ৫৬০ মিটার দীর্ঘ একটি পিসি গার্ডার সেতু নির্মান করেছে এলজিইডি। একই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশালের মুলাদী থেকে নাজিরপুর ও মোল্লারহাট হয়ে কুতুবপুর পর্যন্ত সড়কের আড়িয়াল খাঁ নদ-এর ওপর ৪৩২ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মান কাজও শেষ হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ৩১ কোটি টাকা ব্যায়ে হারতা বাজার সংলগ্ন কঁচা নদীর ওপর ২৮০ মিটার দীর্ঘ আরো একটি সেতু নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এরফলে উজিরপুর ও কোটালীপাড়ার বিল অঞ্চলের দূর্গম এলাকার সাথে মূল জনপদের দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
‘বৃহত্বর বরিশাল প্রকল্প’এর আওতায় প্রায় ২০কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশাল মহানগরীর সাথে চরমোনাই-বুখাইনগর ও বিশ্বাসেরহাট সড়কের ‘কড়াইতলা সেতুটির নির্মান কাজও সম্পন্ন হয়েছে। একই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যায়ে বাকেরগঞ্জের গারুরিয়া ও গোবিন্দপুর সড়কের তুলাতলা নদীর ওপর ১১টি স্প্যানে ৪৪০মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুটির নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলে পল্লী যোগাযোগ এবং প্রাথমিক শিক্ষা সহ গ্রামীন হাট-বাজার উন্নয়নে এলজিইডি আরো একাধীক প্রকল্প প্রনয়ন করছে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান।
 ‘দক্ষিণাঞ্চলীয় পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত কর্মসূচী’, ‘বৃহত্বর বরিশাল জেলা গ্রামীন যোগাযোগ ও হাট বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘জরুরী ঘূর্ণিঝড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প’, ‘গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ন পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘সড়ক ও জনপথ থেকে স্থানান্তরিত সড়ক প্রকল্প’, ‘উপজেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘আরআইএমপি ও এলসিএস প্রকল্প’, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী’, ‘অংশগ্রহনমূলক ক্ষুদ্রকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ সহ দক্ষিণাঞ্চলের পল্লী এলাকায় প্রায় ৩০টি প্রকল্পের আওতায় কয়েক হাজার স্কীম বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি।
দক্ষিণাঞ্চলের ৪২টি উপজেলায় ইতোমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স-এর নির্মানকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়াও হাজারখানেক ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে বাসস্থান নির্মান করে দিচ্ছে এলজিইডি। ঝালকাঠীতে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিউট-পিটিআই’এর নির্মান কাজও সম্পন্ন করেছে এলজিইডি।
পিরোজপুরে নাজিরপুরে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা ব্যায়ে দির্ঘা নদীর ওপর ৩৬০মিটার লম্বা পিসি গার্ডার সেতুর নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। নেসারাবাদের কালিগঙ্গা নদীর ওপর ৬শ মিটার লম্বা একটি সেতু নির্মানে ১১৫কোটি টাকার প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে। দ্বীপজেলা ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় সোয়া ২শ কোটি টাকা ব্যায়ে ৪২টি সাইক্লোন শেল্টার কাম প্রাইমারী স্কুল নির্মান কাজও শেষ পর্যায়ে। বরগুনার বদনীখালী খালে ৭.৭৮ কোটি টাকা ব্যায়ে ১২০মিটার দীর্ঘ একটি আরসিসি গার্ডার সেতুর নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে বেতাগী ও পাথরঘাটা উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মান কাজও সম্পন্ন করেছে এলজিইডি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৯৩ কোটি টকা ব্যায়ে আন্ধারমানিক নদীর ওপর ৬৭৭ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মান কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলাতে সড়ক এবং সেতু ও কালভার্ট নির্মান কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলে পল্লী যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইডি

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উপর মতবিনিময় সভায় উপস্থিত প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম, এমপি  ক্রেষ্ট প্রদান করছেন  রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাঃ আব্দুল মালেক সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ আব্দুর রশিদ খান । সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

Our Like Page