আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
গুণগত ও মানসম্মত কাজের ব্যাপারে কারো সঙ্গে কোনো ‘কম্প্রোমাইজ’ হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। দুর্নীতি, অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
 রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আয়োজিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘শ্রেষ্ঠ আত্মনির্ভরশীল নারী সম্মাননা-২০২১’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, তাকে তা যথাযথ পালন করতে হবে। নিম্নমানের কাজের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক, তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। সারা দেশে এলজিইডির যে সুনাম রয়েছে, তা কেউ ক্ষুণ্ণ করবে—এটা বরদাস্ত করা হবে না।
মো. তাজুল ইসলাম আরও বলেন, প্রচার-প্রচারণায় নয়, কাজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে মানুষের সঙ্গে পরিচিত করতে হবে। নিম্নমানের কাজ করে বদনাম নেওয়া যাবে না। ছোটখাটো ভুলের জন্য বড় ধরনের ইমেজের ক্ষতি হয়। তাই ছোট হোক, বড় হোক—অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী জানান, রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট টেকসই করতে হবে। টাকা সেভ করতে গিয়ে নিম্নমানের কাজ করা যাবে না। এ সময়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সব কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য এলজিইডির সর্বস্তরের কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে তাজুল ইসলাম বলেন, নেভিগেশন, হাইড্রোলজিক্যাল, জিওলোজিক্যাল ও মরফোলোজিক্যাল দিক বিবেচনায় না নিয়ে পাশাপাশি অথবা বিশেষ কোনো ব্যক্তির বাড়ির পাশে ব্রিজ নির্মাণ পরিহার করতে হবে।
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্রিজের নকশা প্রণয়নের ক্ষেত্রে নৌ চলাচলের বিষয়টি অবশ্যই প্রাধান্য দিতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় না নিয়ে কোনো ব্রিজ নির্মাণ না করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেন তিনি।
দেশে নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে নারীদের অধিকার তুলনামূলকভাবে বেশি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নারীরা সবক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করছে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে। নারী ও পুরুষের কর্মকাণ্ডে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। তাই কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে, এলজিইডির জেন্ডার অ্যান্ড উন্নয়ন ফোরাম কর্তৃক নির্বাচিত পল্লী উন্নয়ন, নগর উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন—এই তিন ক্যাটাগরিতে মোট নয়জন নারীর হাতে আত্মমর্যাদাশীল নারী সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো.আব্দুর রশীদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মেজবাহ উদ্দিন আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য দেন।

অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি : এলজিআরডি মন্ত্রী

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলায় পল্লী যোগাযোগ সহ নানামুখি উন্নয়ন অকাঠামো নির্মান ছাড়াও মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে চলতি অর্থ বছরে প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এলজিইডি। এ অর্থের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটি দক্ষিণাঞ্চলের ৪২টি উপজেলায় ৪ হাজার ১৩৬টি স্কিম বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৬শ কোটি টাকা বরাদ্ব অবমূক্ত করা হয়েছে। যারফলে অর্থ বছরের প্রথম ৬ মাসে প্রায় ৪২ ভাগ ভৌত অবকাঠমোর কাজ শেষ হয়েছে। আর্থিক অগ্রগতিও প্রায় ৪০%।
নতুন প্রকল্প ছাড়াও অতীতে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর রক্ষনাবেক্ষন ও মেরামত কাজে এলজিইডি  কর্মজজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। পাল্লী যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মান ছাড়াও দক্ষিনাঞ্চলে ৪২টি উপজেলা যুড়ে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনগুলোর মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষনে এলজিইডি গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করছে। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনসমুহের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সীমানা প্রাচীর ও গেট পর্যন্ত নির্মান করছে এলজিইডি। এমনকি সড়ক ও সেতু ছাড়াও পল্লী এলাকার হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টার নির্মান এবং মেরামত ও রক্ষনাবেক্ষনে বিশেষ ভূমিকার কথা জানিয়েছে এলজিইডি’র বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ওয়হিদুর রহমান।
চলতি অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ১৮৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যায়ে দক্ষিণাঞ্চলে ২,৫১৭টি নতুন স্কিম ছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় ১৮২.১৩ কোটি টাকা ব্যায়ে ৩৫৪টি স্কিম বাস্তবায়ন কাজ করছে। এছাড়া প্রথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ১৭১.৬৭ কোটি টাকা ব্যায়ে আরো ১ হাজার ২৬৫টি স্কিম বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি।
অতীতে নদ-নদী বহুল ও কৃষিনির্ভর দক্ষিণাঞ্চলের পল্লী এলাকায় পাকারাস্তা এবং কংক্রীটের সেতু ও কালভার্ট ছিল অনেকটাই স্বপ্নের মত। সে অবস্থার পরিবর্তন এসেছে ইতোমধ্যে। প্রায় ৫১ হাজার কিলোমিটার গ্রামীন, ইউনিয়ন ও উপজেলা সড়ক দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ সামাজিক ব্যবস্থায় ব্যপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছে। এসব সড়ক ছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলে বিপুল সংখ্যক সেতু ও কালভার্ট উন্নয়ন সম্পন্ন করেছে এলজিইডি। এছাড়াও প্রায় ১২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীন, ইউনিয়ন ও উপজেলা সড়কের উন্নয়ন সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার গ্রামীন সড়ক এবং প্রায় ৪ হাজার সেতু ও কালভার্ট নির্মানে ব্যায় হয়েছে সোয়া ৫শ কোটি টাকা।
‘দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশালের সানুহার ও ধামুড়া ও সাতলা উপজেলা সড়কের ২৩ কিলোমিটারে ৫৬০ মিটার দীর্ঘ একটি পিসি গার্ডার সেতু নির্মান করেছে এলজিইডি। একই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৭০ কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশালের মুলাদী থেকে নাজিরপুর ও মোল্লারহাট হয়ে কুতুবপুর পর্যন্ত সড়কের আড়িয়াল খাঁ নদ-এর ওপর ৪৩২ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মান কাজও শেষ হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ৩১ কোটি টাকা ব্যায়ে হারতা বাজার সংলগ্ন কঁচা নদীর ওপর ২৮০ মিটার দীর্ঘ আরো একটি সেতু নির্মানের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এরফলে উজিরপুর ও কোটালীপাড়ার বিল অঞ্চলের দূর্গম এলাকার সাথে মূল জনপদের দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
‘বৃহত্বর বরিশাল প্রকল্প’এর আওতায় প্রায় ২০কোটি টাকা ব্যায়ে বরিশাল মহানগরীর সাথে চরমোনাই-বুখাইনগর ও বিশ্বাসেরহাট সড়কের ‘কড়াইতলা সেতুটির নির্মান কাজও সম্পন্ন হয়েছে। একই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যায়ে বাকেরগঞ্জের গারুরিয়া ও গোবিন্দপুর সড়কের তুলাতলা নদীর ওপর ১১টি স্প্যানে ৪৪০মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুটির নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলে পল্লী যোগাযোগ এবং প্রাথমিক শিক্ষা সহ গ্রামীন হাট-বাজার উন্নয়নে এলজিইডি আরো একাধীক প্রকল্প প্রনয়ন করছে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান।
 ‘দক্ষিণাঞ্চলীয় পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত কর্মসূচী’, ‘বৃহত্বর বরিশাল জেলা গ্রামীন যোগাযোগ ও হাট বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘জরুরী ঘূর্ণিঝড় পুনরুদ্ধার প্রকল্প’, ‘গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘অগ্রাধিকার ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ন পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘সড়ক ও জনপথ থেকে স্থানান্তরিত সড়ক প্রকল্প’, ‘উপজেলা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’, ‘আরআইএমপি ও এলসিএস প্রকল্প’, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী’, ‘অংশগ্রহনমূলক ক্ষুদ্রকার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ সহ দক্ষিণাঞ্চলের পল্লী এলাকায় প্রায় ৩০টি প্রকল্পের আওতায় কয়েক হাজার স্কীম বাস্তবায়ন করছে এলজিইডি।
দক্ষিণাঞ্চলের ৪২টি উপজেলায় ইতোমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স-এর নির্মানকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়াও হাজারখানেক ভূমিহীন ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে বাসস্থান নির্মান করে দিচ্ছে এলজিইডি। ঝালকাঠীতে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যায়ে প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিউট-পিটিআই’এর নির্মান কাজও সম্পন্ন করেছে এলজিইডি।
পিরোজপুরে নাজিরপুরে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা ব্যায়ে দির্ঘা নদীর ওপর ৩৬০মিটার লম্বা পিসি গার্ডার সেতুর নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। নেসারাবাদের কালিগঙ্গা নদীর ওপর ৬শ মিটার লম্বা একটি সেতু নির্মানে ১১৫কোটি টাকার প্রকল্পের কাজও শুরু হয়েছে। দ্বীপজেলা ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় সোয়া ২শ কোটি টাকা ব্যায়ে ৪২টি সাইক্লোন শেল্টার কাম প্রাইমারী স্কুল নির্মান কাজও শেষ পর্যায়ে। বরগুনার বদনীখালী খালে ৭.৭৮ কোটি টাকা ব্যায়ে ১২০মিটার দীর্ঘ একটি আরসিসি গার্ডার সেতুর নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে বেতাগী ও পাথরঘাটা উপজেলা কমপ্লেক্স ভবনের নির্মান কাজও সম্পন্ন করেছে এলজিইডি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৯৩ কোটি টকা ব্যায়ে আন্ধারমানিক নদীর ওপর ৬৭৭ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মান কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলাতে সড়ক এবং সেতু ও কালভার্ট নির্মান কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলে পল্লী যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে এলজিইডি

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উপর মতবিনিময় সভায় উপস্থিত প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম, এমপি  ক্রেষ্ট প্রদান করছেন  রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাঃ আব্দুল মালেক সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ আব্দুর রশিদ খান । সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

পরিকল্পনা অনুযায়ী সব গ্রামীণ রাস্তা প্রশস্তের পাশাপাশি ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হবে। সেই সঙ্গে ডিজাইন পরিবর্তনের মাধ্যমে এসব রাস্তার স্থায়িত্বকাল করা হবে কমপক্ষে ১০ বছর। বাঁক কমিয়ে সড়কগুলো করা হবে সোজা।  ‘শহরের সুযোগ-সুবিধা নিতে হবে গ্রামে’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন ভাবনা সামনে রেখে এবার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বৃহৎ পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার।

 

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর কারিগরি সহায়তায় হালনাগাদকৃত ‘রোড ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড’ অনুমোদনের জন্য একটি প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে জমা দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ডিজাইনটি অনুমোদন হলেই ধারাবাহিকভাবে বদলাতে শুরু করবে গ্রামীণ রাস্তাঘাট।

 

জানা গেছে, সরকারের ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ কর্মপরিকল্পনায় দেশব্যাপী ৮৭ হাজার ২৩০টি গ্রামকে উন্নত ও টেকসই সড়ক যোগাযোগ দ্বারা সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গতকাল (১৭ নভেম্বর) একনেক সভায়ও সারা দেশের গ্রামীণ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে একটি মহাপরিকল্পনা তৈরির জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সারা দেশের গ্রামীণ রাস্তাঘাট উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

জানা গেছে, বর্তমানে সড়ক ডিজাইনের ক্ষেত্রে ২০০৪ সালে পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক গেজেটকৃত ‘রোড ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড’ অনুসরণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। সে ডিজাইন অনুযায়ী এখন পর্যন্ত সব গ্রামীণ সড়ক সর্বোচ্চ ১২ ফুট প্রশস্ত করে তৈরি হয়েছে। সড়কে গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে যানজট ও গ্রামীণ সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল শুরু করায় দ্রুত ভেঙে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বুয়েটের সহায়তায় নতুন ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করেছে এলজিইডি। নতুন ডিজাইনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দৈনিক ১০১ থেকে ৫০০ মাঝারি যানবাহন চলাচলকারী সড়কগুলোকে ১২ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১৮-২০ ফুট, দৈনিক ৫০১ থেকে সহস্রাধিক যানবাহন চলাচলকারী (ভিন্ন ভিন্ন স্লাবে) সড়কগুলোকে ২২ ফুট থেকে ৩৬ ফুট পর্যন্ত প্রশস্তের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে যান চলাচলের সংখ্যা ও মাটির ভার বহন ক্ষমতার ভিত্তিতে আগের ডিজাইনে সড়কের ৮টি স্ট্যান্ডার্ড থাকলেও নতুন ডিজাইনে তা বাড়িয়ে ১৪টি করা হয়েছে।

 

এলজিইডি-সূত্র জানান, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন সড়কগুলোর মধ্যে দৈনিক সহস্রাধিক ভারী যানবাহন চলাচলকারী সড়ক আছে ৩৮৭ কিলোমিটার। এ ছাড়া ৮৮০ কিলোমিটার সড়কে দৈনিক ৭৫১ থেকে ১ হাজার ভারী যানবাহন, ৪ হাজার ২২৫ কিলোমিটার সড়কে দৈনিক ৫০১ থেকে ৭৫০টি ভারী যানবাহন, ৫ হাজার ৬৩০ কিলোমিটার সড়কে ৪০১ থেকে ৫০০ মাঝারি যানবাহন, ৬ হাজার ৩৪০ কিলোমিটার সড়কে দৈনিক ৩০১ থেকে ৪০০ মাঝারি যানবাহন, ১২ হাজার ৩২০ কিলোমিটার সড়কে দৈনিক ২০১ থেকে ৩০০ মাঝারি যানবাহন, ৩৭ হাজার ১০০ কিলোমিটার সড়কে দৈনিক ১০১ থেকে ২০০ মাঝারি যানবাহন এবং ২ লাখ ৮৬ হাজার ৪৭১ কিলোমিটার সড়কে দৈনিক ১০০-এর কম হালকা যান চলাচল করছে। এ ছাড়া ২ লাখ ৩২ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা রয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো এলজিইডির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী ৬৩ হাজার ৯৪০ কিলোমিটার উপজেলা ও ইউনিয়ন পাকা সড়ক রয়েছে যার উল্লেখযোগ্য অংশ গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থায় কোর নেটওয়ার্ক হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। বিগত তিন দশকে নির্মিত এসব সড়কের বড় অংশেরই ডিজাইন লাইফ শেষ হয়ে যাওয়ায় পুনর্নির্মাণ প্রয়োজন। খসড়া অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রতি বছর এলজিইডির ৭ হাজার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ কাঁচা সড়ক নির্মাণ ও ডিজাইন লাইফ শেষ হওয়া ৩ হাজার কিলোমিটার পাকা সড়ক আপগ্রেড করা হবে। আপগ্রেডের ক্ষেত্রে ২ হাজার কিলোমিটার সড়ক বিদ্যমান ১২ থেকে ১৮ ফিটে সম্প্রসারণ ও অবশিষ্ট ১ হাজার কিলোমিটার সড়ক ২০ ফুট, ২২ ফুট ও ২৪ ফুট প্রস্থে সম্প্রসারণ প্রয়োজন হবে। বাঁক সহজীকরণ, ব্রিজ অ্যাপ্রোচ উন্নয়নসহ এসব কাজে জমি অধিগ্রহণে প্রতি বছর প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। সার্বিক বিবেচনায় প্রতি বছর শতকরা ২৫ ভাগ ব্যয় বাড়বে। তবে প্রস্তাবিত ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদন হলে সড়ক টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় সড়কের লাইফ সাইকেল কস্ট কমে যাবে। সড়ক ভালো হওয়ায় অযান্ত্রিক যানবাহনে প্রতি কিলোমিটারে প্রতিদিন গড়ে ২ টাকা ও যান্ত্রিক যানবাহনে গড়ে ৫ টাকা খরচ কমে যাবে। ফলে সড়ক সম্প্রসাণের বাড়তি বিনিয়োগ দুই বছরের কিছু বেশি সময়ে উঠে আসবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)-এর পরিকল্পনা, ডিজাইন ও গবেষণা ইউনিটের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুল আজিজ বলেন, ‘আগের ডিজাইনে আমরা চওড়া রাস্তা করতে পারতাম না। উপজেলা পর্যায়ে এখন প্রচুর গাড়ি হয়েছে। ভারী যানবাহনও চলছে। যানজট লেগে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ রাস্তাঘাট উন্নয়নে জোর দিয়েছেন। এ জন্য বুয়েটকে দিয়ে নতুন গাইডলাইন করা হয়েছে। এ ডিজাইন অনুমোদন হলে সড়কে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা ও মাটির ভার বহন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে সড়কের ডিজাইন বদলাতে পারব। পুরুত্বও বাড়াতে পারব। সড়ক টেকসই হবে। পরিকল্পনা কমিশন কিছু পরামর্শ দিয়েছিল। সে অনুযায়ী সংশোধন করে জমা দেওয়া হয়েছে। একই ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ডে তৈরি হওয়ায় ভারী ও অধিক যান চলাচলকারী সড়কগুলো এক-দুই বছরের মধ্যেই ভেঙে যায়। নতুন ডিজাইন অনুমোদন হলে পরবর্তী সংস্কার ও নতুন রাস্তা তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে রাস্তা তৈরি হবে। রাস্তাগুলো কমপক্ষে ১০ বছর টেকসই হবে।’

 

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বৃহৎ পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের স্থায়ী শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। ১টি পদে মোট ৪০০ জনকে নিয়োগ দেবে।

পদের নাম: কার্যসহকারী- ৪০০টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান পাশ।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ বিকেল ০৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://lged.teletalk.com.bd  ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

 

 

৪০০ জনকে নিয়োগ দেবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর

 

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে হবিগঞ্জে শুরু হয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ সড়ক মেরামত কাজ। গতকাল দুপুরে শহরতলীর পাইকপাড়া বাইপাস রোডে এ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার সড়ক হবে সংস্কার’ এই শ্লোগান নিয়ে ২শ’ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সংস্কার কাজের উদ্বোধন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল বাছির, সহকারী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ প্রমূখ। ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের আওতায় এ সংস্কার কাজ চলবে জানায় স্থানীয় সরকার বিভাগ। এ ব্যাপারে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুল বাছির জানান, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে এলজিইডি মন্ত্রী তাজুল ইষলামের পরিকল্পনায় এ সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী মহোদয় এ কাজ উদ্বোধন করেছেন। আমরা আগে উদ্বোধন করলাম। ২শ’ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজের পরেও যদি কোন কাজ বাকি থাকে তবে সেগুলোও সংস্কার করা হবে।রামুরামু (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: রামু উপজেলা এলজিইডি কর্তৃক গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস  ‘অক্টোবর-২০২০’ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, ইউএনও প্রণয় চাকমা, উপজেলা প্রকৌশলী ‘মো. নূরুল ইসলাম ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আলা উদ্দিন। মুজিব বর্ষে বছরব্যাপী নিয়মিতভাবে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সংশ্লিষ্ট সকলকে সম্পৃক্ত ও উদ্বুদ্ধ করার নিমিত্তে এলজিইডি এ বছরের অক্টোবর মাসকে গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস হিসেবে ঘোষণা করেছে। এলসিএস মহিলা কর্মীদের সাথে নিয়ে উপজেলার ১১ ইউনিয়নে মাসব্যাপী গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করবে এলজিইডি রামু অফিস।আড়াইহাজারআড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: আড়াইহাজারে গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস পালন করা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ-২, আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ অঞ্চল এলজিইডি’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অনীল চন্দ্র বর্মণ। স্থানীয় ঝাউগড়া এলাকায় গতকাল বেলা ১১টায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আড়াইহাজার উপজেলার (এলজিইডি)। নারায়ণগঞ্জ জেলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ হোসেন, উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাশির উদ্দিন, উপ-সহকারি প্রকৌশলী সৈয়দ রেজাউল করিম, আড়াইহাজার পৌরসভার মেয়র সুন্দর আলী, থানা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ। উপজেলা এলজিইডি’র সূত্রে জানা গেছে, দপ্তরের আওতায় ৬৯৫টি গ্রামীণ সড়কে ৮০৬ কিলোমিটার সড়ক মির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০ কিলোমিটার পাকা ও ৩২৫ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ মাসে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক এলসিএস নারী কর্মী দ্বারা রক্ষণাবেক্ষণ বাস্তবায়ন করা হবে।নলছিটিনলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঝালকাঠির নলছিটিতে এলজিইডির মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় দপদপিয়া ইউনিয়নের  জুরকাঠি ভায়া নলছিটি সড়কের কয়েকটি ডিপ্রেশন মেরামতের মাধ্যমে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ঝালকাঠি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন। জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এলজিইডি সারাদেশের ন্যায় ঝালকাঠি জেলায় একযোগে গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের মাধ্যমে অক্টোবর থেকে মার্চ মাসকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সকল এলজিইডির সড়কের ছোটখাটো ডিপ্রেশন সংস্কার করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জেলা সহকারী প্রকৌশলী নূর-উস শামছ, নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মীর আক্তারুজ্জামান জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন সহ এল সি এস মহিলা কর্মীবৃন্দ।মহম্মদপুর মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: মহম্মদপুরে ‘গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ মাস অক্টোবর-২০২০’ এর উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন মিয়া। উপজেলার শেখ হাসিনা সেতুর পূর্বপাড়ে বৃহস্পতিবার সকালে  এলসিএস এর লোকজন নিয়ে এবং এলজিইডিতে কর্মরতদের নিয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সরজমিনে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, উপজেলায় সর্বমোট ৩৫৮টি রাস্তা আছে। যার দৈর্ঘ্য ৭৩৭ কি: মি: এর মধ্যে ৩৮০ কি: মি: রাস্তা কাঁচা রয়েছে। আর ই আরএমপি-৩ এবং এলসিএস এর মহিলা কর্মীসহ মোট ১০৪ জন কর্মী সারা বছর যেকোন রাস্তা মেরামতের প্রয়োজন হলে তারা মেরামতের কাজে নিযুক্ত থাকবে।  এছাড়া  স্থানীয় সরকার  এলজিইডির অধীনে থাকা সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে করা হচ্ছে কিনা, তা তদারকি করার জন্য সার্বক্ষণিক দুইজন সুপারভাইজার নিযুক্ত থাকবে। তিনি আরো বলেন, ‘নির্মাণ সামগ্রী, আধুনিক প্রযুক্তি, জবাবদিহিতা এবং সুপারভিশন নিশ্চিত করা গেলে তার সুফল পাওয়া সম্ভব।

বিভিন্ন জেলায় এলজিইডি’র সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু

Our Like Page