স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রংপুর অঞ্চল এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু মোঃ সাহরিয়ার  বদলীজনিত বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজনে রংপুর অঞ্চলের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু মোঃ সাহরিয়ার  বদলীজনিত বিদায় অনুষ্ঠান

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লি: একটি সরকারি মালিকানাধীন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী এবং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ পাওয়ার হাব। এর ০৮ টি ইউনিটের বর্তমান মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৬৯০ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎখাত উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) ২৮ জুন ২০০০ তারিখে কোম্পানি আইন ১৯৯৪ –এর অধীনে নিবন্ধিত হয়। এপিএসসিএল –এর নিবন্ধন নং ৪০৬৩০ (২৩২৮)/২০০০। ২২ মে ২০০৩ তারিখে বিপিডিবি এবং এপিএসসিএল এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সাময়িক বিক্রেতা চুক্তির মাধ্যমে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কমপ্লেক্স কে (সম্পদ ও দায় সহ) এপিএসসিএল-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। ০১ জুন ২০০৩ তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোম্পানীর সকল কার্যক্রম শুরু হয় এবং পাওয়ার স্টেশনের অপারেশন, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম সহ কোম্পানীর সামগ্রিক কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নির্বাহী পরিচালক(প্রকৌশল), নির্বাহী পরিচালক(পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) এর সমন্বয়ে গঠিত ম্যানেজমেন্ট টিম এর উপর ন্যস্ত করা হয়।

কোম্পানির আর্টিক্যালস্ অব এসোসিয়েশন অনুযায়ী মোট শেয়ারের ৯৯.৯৯% বিপিডিবি এবং অবশিষ্ট শেয়ার অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ -এর মধ্যে বিতরণ করা হয়।

এই পাওয়ার স্টেশনে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় এবং জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে পুরো দেশ জুড়ে ভোক্তাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এই পাওয়ার স্টেশন দেশের মোট চাহিদার ৮.৭৬% -এরও বেশী বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিঃ কর্তৃক সরবরাহকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের প্রধান জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্টীম তৈরি এবং শীতলীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি মেঘনা নদী থেকে নেওয়া হয়। শীতলীকরণের জন্য ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিসচার্জ চ্যানেল দিয়ে নদীতে ছাড়া হয়। উল্লেখ্য যে, শুষ্ক মৌসুমে ডিসচার্জ চ্যানেলের বিপুল পরিমাণ পানি আশুগঞ্জ, সড়াইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রায় ৩৬,০০০ একর জমি সেচের জন্য ব্যবহার করা হয়।
রূপকল্প, অভিলক্ষ্য ও কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ
রূপকল্প
দেশের সর্ববৃহৎ ও আদর্শ বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা রুপে আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে সরকারের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন।
অভিলক্ষ্য
অবকাঠামো ও সম্পদের সুষ্ঠু ও ফলপ্রসূ ব্যবহারের মাধ্যমে ধারাবাহিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গুণগতমান ও দক্ষতায় ক্রমাগত উৎকর্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করে দেশের সমৃদ্ধিতে অসামান্য অবদান রাখা।

উদ্দেশ্য সমূহঃ
o ২০২৫ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বর্তমান ১৬৯০ মেগাওয়াট থেকে ৩০৬০ মেগাওয়াট-এ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫৯২৭ মেগাওয়াট-এ উন্নীত করা;
o অক্সিলারী কনজাম্পশন ৪.৫%-এ নিয়ে আসা;
o বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের এভেইল্যাবিলিটি ৯০% অর্জন করা;
o শূন্য দূর্ঘটনা মাত্রা বজায় রাখা;
o কয়লা ও সৌর ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানী বহুমূখীকরণ নীতি বাস্তবায়ন করা;
o মানব সম্পদ উন্নয়নের অংশ হিসাবে সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীকে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
কোম্পানী প্রোফাইল
কর্পোরেট অফিস নাভানা রহিম আরডেন্ট (লেভেল-৮)
১৮৫, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী , বিজয়নগর, ঢাকা।
রেজিস্ট্রেশন নম্বর সি-৪০৬৩০ (২৩২৮)/২০০০
জয়েন্ট স্টক কোম্পানী
হিসাবে নিবন্ধের তারিখ ২৮ জুন ২০০০
কোম্পানীর ধরণ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী
কাজের ধরণ বিদ্যুৎ উৎপাদন
বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী
ইউনিট সমূহ মোট 0৮টি (স্টীম টার্বাইন: ০৩টি, গ্যাস ইঞ্জিন: ০১টি, সিসিপিপি: ০৩টি, মডিউলার: ০১টি)
o ১৫০ মেঃ ওঃ ক্ষমতা সম্পন্ন দু’টি স্টীম ইউনিট (ইউনিট#৩ এবং ইউনিট#৪) যথাক্রমে ১৯৮৬ এবং ১৯৮৭ সালে চালু করা হয়।
o ১৫০ মেঃ ওঃ ক্ষমতা সম্পন্ন আরও একটি স্টীম ইউনিট (ইউনিট#৫) ১৯৮৮ সালে চালু করা হয়।
o ৫০ মেঃ ওঃ ক্ষমতা সম্পন্ন গ্যাস ইঞ্জিন পাওয়ার প্ল্যান্ট ২০১১ সালে চালু করা হয়।
o ২০০ মেঃ ওঃ মডিউলার পাওয়ার প্ল্যান্ট ২০১৫ সালের মে মাসে চালু করা হয়।
o ২২৫ মেঃ ওঃ সিসিপিপি (জিটি এবং এসটি) ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে চালু করা হয়।
o আশুগঞ্জ ৪৫০ মেঃওঃ সিসিপিপি (সাউথ) ২০১৬ সালের জুলাই মাসে চালু করা হয়।
o আশুগঞ্জ ৪৫০ মেঃওঃ সিসিপিপি (নর্থ) ২০১৭ সালের জুন মাসে চালু করা হয়।
স্থাপিত ক্ষমতা
১৬৯০ মেঃ ওঃ
বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা
(নেট আউটপুট) ১৫৬৮ মেঃ ওঃ
চলমান প্রকল্প সমূহ আশুগঞ্জ ৪০০ মেঃওঃ সিসিপিপি (ইস্ট)
পটুয়াখালী ১৩২০ মেগাওয়াট সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট –এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন ও সংরক্ষণ প্রকল্প
কোম্পানী ওয়েবসাইট www.apscl.gov.bd
ই-মেইল apscl@apscl.com, apsclbd@yahoo.com
ইতিহাস ও কার্যাবলি
বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎখাত উন্নয়ন ও সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) ২৮ জুন ২০০০ইং তারিখে কোম্পানি আইন ১৯৯৪ –এর অধীনে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত হয়। পরবর্তীতে ০১ মার্চ ২০০৩ইং তারিখে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীতে রুপান্তর করা হয়। এপিএসসিএল –এর নিবন্ধন নং ৪০৬৩০ (২৩২৮)/২০০০। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং এপিএসসিএল এর মধ্যে ২২ মে ২০০৩ইং তারিখে স্বাক্ষরিত ১ম Provisional Vendor’s Agreement এর মাধ্যমে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন (এপিএস) কমপ্লেক্স -কে এপিএসসিএল -এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। ০১ জুন ২০০৩ তারিখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোম্পনীর সকল কার্যক্রম শুরু হয় এবং পাওয়ার স্টেশনের অপারেশন, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম সহ কোম্পানির সামগ্রিক কার্যক্রম ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল), নির্বাহী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) ও নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) এর সমন্বয়ে গঠিত ব্যবস্থাপনার উপর ন্যস্ত করা হয়।

এপিএসসিএল এর অনুমোদিত শেয়ার মূলধনের পরিমাণ ৫০০০ কোটি টাকা, যা ১০ টাকা মূল্যের ৫০০ কোটি শেয়ারে বিভক্ত। বর্তমানে কোম্পানীর পরিশোধিত শেয়ার মূলধনের পরিমাণ ১২১৮.৭৬ কোটি টাকা। প্রাথমিক ভাবে কোম্পানীর পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ছিল দশ লক্ষ টাকা। গত ২২ মে ২০০৩ইং তারিখে স্বাক্ষরিত ১ম Provisional Vendor’s Agreement এর মাধ্যমে বাবিউবো’র নামে ৬৬১.৪০ কোটি টাকার শেয়ার বরাদ্দ করা হয়। পরবর্তীতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ইং তারিখে স্বাক্ষরিত Final Vendor’s Agreement এর মাধ্যমে বাবিউবো’র নামে অতিরিক্ত ৫৫৭.২৬ কোটি টাকার শেয়ার বরাদ্দ করা হয়। বর্তমানে কোম্পানীর মোট শেয়ারের ৯৯.৯৯% বিপিডিবি এবং অবশিষ্ট শেয়ার অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এর মালিকানায় রয়েছে।

তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য অবকাঠামোগত সুবিধা যেমনঃ নদী, ভারী সরঞ্জামাদি পরিবহন সুবিধা (সড়কপথ, রেলপথ ও নৌপথ), জ্বালানী উৎস (গ্যাস নেটওয়ার্ক) ইত্যাদি আবশ্যক সুবিধাসমূহ বিবেচনা করে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার “আশুগঞ্জ” উপজেলায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য একটি বিদেশী নির্মাণ কোম্পানির সাথে ১৯৬৬ সালে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ‘আশুগঞ্জ’ তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রের কাছাকাছি এবং মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত বলে সে সময়ে দেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত স্থান হিসেবে নির্ধারিত হয়। মেঘনা রেলসেতুর উত্তর-পূর্ব দিকের ৩১১ একর জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে ১৯৬৬ সালে জার্মান সরকারের আর্থিক সহায়তায় আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে মোট ১২৮ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১৯৬৮ সালে প্রধান যন্ত্রপাতিসমূহের স্থাপন কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে ইউনিট দুটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। উক্ত ২টি প্রকল্পের পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্য আরও ৩টি ইউনিট স্থাপনের জন্য কিছু অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আশুগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। তদানুযায়ী জার্মানির মেসার্স Lahmyer International কে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং তারা বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা পর্যালোচনা শেষে প্রতিটি ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩টি ইউনিট (ইউনিট ৩, ৪ ও ৫) স্থাপনের পক্ষে মতামত প্রদান করে। IDA, KFW (German Govt.), কুয়েত, OPEC তহবিল ও ADB এর আর্থিক সহায়তায় এই ৩টি ইউনিট স্থাপন করা হয়। উল্লেক্ষ্য, ভিন্ন ভিন্ন দেশ ও সংস্থার আর্থিক সহায়তায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো স্থাপিত হওয়ায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সরঞ্জাম সমূহ ভিন্ন ভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। Turbo – জেনারেটরের অংশ সরবরাহ ও স্থাপন করে জার্মানির মেসার্স BBC (বর্তমান ABB) এবং বয়লার অংশ জাপানের IHI কোম্পানির তৈরি এবং সরবরাহ ও স্থাপনের কাজ করে জাপানের মেসার্স Mitsui and Co. অন্যান্য প্রধান যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং স্থাপন করে মেসার্স BBC (জার্মানি), মেসার্স IHI (জাপান), মেসার্স KDC (কোরিয়া) এবং মেসার্স PCC (কোরিয়া)। মেসার্স Lucky International (কোরিয়া) 230KV আশুগঞ্জ-ঘোড়াশাল সঞ্চালন লাইন স্থাপনের কাজ করে।

এই তিনটি ইউনিট পর্যায়ক্রমে ডিসেম্বর, ১৯৮৬ এবং মে, ১৯৮৭ ও ১৯৮৮ সালে চালু করা হয়। ইউনিট ৩ ও ৪ স্থাপন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করার সময় ব্রিটিশ আর্থিক সহায়তায় একটি কম্বাইন্ড সাইকেল প্ল্যান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২টি গ্যাস টারবাইন এবং ৩৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি স্টীম টারবাইন নিয়ে গঠিত কম্বাইন্ড সাইকেল প্ল্যান্টটির মোট ক্ষমতা ছিল ১৪৬ মেগাওয়াট । ইউনিটটির প্রধান যন্ত্রপাতি তৈরি এবং স্থাপনার কাজ করে ইংল্যান্ডের GEC কোম্পানি (বর্তমান ALSTOM,UK)। কম্বাইন্ড সাইকেল প্ল্যান্টটির জিটি-১, এসটি এবং জিটি-২ ইউনিট সমূহ পর্যায়ক্রমে ১৯৮২, ১৯৮৪ এবং ১৯৮৬ইং সালে চালু হয়।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরী ভিত্তিতে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে ২০১০ সালে এপিএসসিএল সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। স্পেন ভিত্তিক স্বনামধন্য কোম্পানী TSK প্রকল্পটির ঠিকাদার হিসেবে কাজ করে। ৩০ এপ্রিল ২০১১ তারিখ থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মোকাবিলায়, এপিএসসিএল ২০১৩ সালে আরও ৪টি জ্বালানি সাশ্রয়ী বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প (২২৫ মেগাওয়াট সিসিপিপি, ৪৫০ মেগাওয়াট সিসিপিপি (সাউথ), ৪৫০ মেগাওয়াট সিসিপিপি (নর্থ) ও ২০০ মেগাওয়াট মডিউলার) বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তন্মধ্যে, আশুগঞ্জ ২২৫ মেগাওয়াট সিসিপিপি প্রকল্পটি কোরিয়ান The Consortium of Hyundai Engineering Co., Ltd. and Daewoo International Corporation এর মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়, যা ০৯ ডিসেম্বর ২০১৫ইং তারিখে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে এই প্রকল্পের উৎপাদন ক্ষমতা ২২৩ মেগাওয়াট। ২০০ মেগাওয়াট মডিউলার প্রকল্পটি পিপিপি এর আওতায় দেশীয় স্বনামধন্য কোম্পানী ইউনাইটেড এ্যানার্জির সাথে যৌথভাবে United Ashuganj Energy Ltd. (UAEL) কোম্পানী গঠনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়, যা ০৮ মে ২০১৫ইং তারিখে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৯৫ মোগাওয়াট। আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট সিসিপিপি (সাউথ) প্রকল্পটি স্পেন ও সুইডেন ভিত্তিক স্বনামধন্য কোম্পানী The Consortium of Inelectra International AB, Sweden and TSK Electronica Electricidad S.A., Spain. কোম্পানী যৌথভাবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইপিসি হিসেবে কাজ করে, যা ১৮ জুলাই ২০১৬ইং তারিখে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে। বর্তমানে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৩৮৩ মোগাওয়াট। আশুগঞ্জ ২২৫ মেগাওয়াট সিসিপিপি ও আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট সিসিপিপি (সাউথ) প্রকল্পদ্বয় ECA অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়। সর্বশেষ বাস্তবায়িত আশুগঞ্জ ৪৫০ মেগাওয়াট সিসিপিপি (নর্থ) প্রকল্পটি উন্নয়ন অংশীদারী সংস্থা ADB ও IDB এর যৌথ অর্থায়নে বাস্তায়িত হয়। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে স্পেন ভিত্তিক কোম্পানী The Consortium of Technicas Reunidas S.A & TSK Electronica Y Electricidad S.A, Spain যৌথভাবে ইপিসি হিসেবে কাজ করে, যা জুন,২০১৭ই এ বাণিজ্যিকভাবে চালু করা হয়। বর্তমানে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৩৮৬ মোগাওয়াট। ইতোমধ্যে কারিগরী আয়ুষ্কাল শেষ হওয়ায় ইউনিট ১ এবং ইউনিট ২ কে অবসর প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে এপিএসসিএল-এর চলমান ৮টি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১৬৯০ মেগাওয়াট।

সরকারে জ্বালানী বহুমূখীকরণ উদ্যোগের আওতায়, এপিএসসিএল গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লাভিত্তিক ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই উদ্দেশ্যে, এপিএসসিএল পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায় ‘কলাপাড়া ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র’ নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে। বর্তমানে উক্ত প্রকল্পের ৯২৫.৫০ একর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়াও, স্বাধীনতার পূর্বে স্থাপিত ২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ১ম কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টটির লাইফ টাইম শেষ হওয়ায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সাথে উক্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জায়গায় নতুন জ্বালানি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এপিএসসিএল এর ১ম কম্বাইন্ড সাইকেল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আশুগঞ্জ ৪০০ মোগওয়াট সিসিপিপি (পূর্ব) নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রম গত জুলাই, ২০১৮ইং তারিখে শুরু হয়, যা ২০২১ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসবে। এই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যায় ২৯৩১ কোটি টাকা। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারী সংস্থা ADB , IDB ও GoB বর্ণিত প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। চায়নাভিত্তিক CNTIC-CCOEC Consortium প্রকল্পের নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে। এপিএসসিএল এর ভবীষ্যত কর্মপরিকল্পনায় পুরাতন বিদ্যুৎ কেন্দ্র সমূহের (ইউনিট ১ থেকে ৫) স্থলে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এছাড়া, বিকল্প জ্বালানীভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে ১০০ মেগাওয়াট গ্রীড টাইড সোলার পার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচনের কাজ চলছে।

এপিএসসিএল কর্তৃক বাস্তবায়িত বিদ্যুৎ কেন্দ্রেগুলোর প্রধান জ্বালানী হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। বাষ্প তৈরি এবং শীতলীকরণের জন্য মেঘনা নদীর পানি ব্যবহার করা হয়। শীতলীকরণের জন্য ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিসচার্জ চ্যানেল দিয়ে নদীতে ছাড়া হয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেক্ষ্য যে, শুষ্ক মৌসুমে ডিসচার্জ চ্যানেলের পানি একটি স্লুইস গেট –এর সাহায্যে আশুগঞ্জ- সরাইলের এর বিশাল এলাকার প্রায় ৩৬,০০০ একর জমি সেচের জন্য ব্যবহার করা হয়।
কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব
বর্তমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র যথাযথভাবে পরিচালনা ও সংরক্ষণ এবং নতুন কেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি এপিএসসিএল একটি উচ্চ বিদ্যালয়, ট্রেনিং সেন্টার, মেডিকেল সেন্টার, মসজিদ, অফিসার্স ক্লাব, কর্মচারী ক্লাব, মক্তব এবং মন্দির পরিচালনা করে। এসবের অর্থনৈতিক সহায়তা কোম্পানী দিয়ে থাকে।

আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়

আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়টি কোম্পানী দ্বারা পরিচালিত হয়। এটি কুমিল্লা মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দ্বারা অনুমোদিত। শিক্ষার্থীরা শিশু শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করতে পারে। একদল উদ্যোমী এবং পরিশ্রমী শিক্ষক এবং স্টাফ শিক্ষার উন্নয়নে সর্বদা নিয়োজিত থাকেন।

মেডিকেল সেন্টার


মেডিকেল সেন্টারটি কোম্পানী দ্বারা পরিচালিত হয়। একজন সিনিয়র মেডিকেল অফিসার (এমবিবিএস), দুইজন মেডিকেল অফিসার (এমবিবিএস) যাদের একজন পুরুষ এবং একজন মহিলা, চারজন নার্স (ডিপ্লোমা) এবং একজন মহিলা এটেন্ডেন্ট আছেন। এপিএসসিএল এর কর্মকর্তা কর্মচারী এবং তাদের পরিবারকে চিকিৎসা সেবা দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত। এছাড়াও মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত সুবিধা সম্পন্ন একটি এম্বুলেন্স রয়েছে।

সেচ প্রকল্প


এপিএসসিএল এর ডিসচার্জ চ্যানেলের পানি কৃষি সেচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শুষ্ক মৌসুমে ডিসচার্জ চ্যানেলের বিপুল পরিমাণ পানি আশুগঞ্জ, সড়াইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রায় ৩৬,০০০ একর জমি সেচের জন্য ব্যবহার করা হয়।

এক নজরে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানী লি:

1/2 Proposed Leeds Station (Credit WW+P/Expedition)

 


05 MAR, 2021 BY CATHERINE KENNEDY

An alternative Northern rail proposal has been tabled which would link High Speed 2 (HS2) and Northern Powerhouse Rail (NPR) and include underground stations in major cities such as Leeds and Manchester.

The Trans-Britain Railway plan – put forward by Expedition Engineering and architects Weston Williamson & Partners (WW&P) – emphasises the opportunity to combine the northern section of HS2 (phase 2) and NPR to deliver “real value”.

The scheme proposes a single integrated railway north of Crewe that achieves the objectives of both projects in “a more efficient and affordable manner”.

Expedition Engineering director Alistair Lenczner explained: “We’re totally in agreement with the objective of HS2 and NPR but we think there’s a better way of doing it as a single joined up project.

“We’re imagining that, north of Crewe, the Trans-Britain Railway would bring together all the objectives of HS2 and NPR into one integrated project which is a more cost-effective solution and better value for money.”

Trans-Britain Railway and HS2 comparison (Credit: WW&P/Expedition)

The railway would allow train services to travel from Manchester towards Crewe on HS2 infrastructure and towards Preston on HS2 and Network Rail infrastructure. Initially terminating at Liverpool Lime Street, it would eventually run into a new underground through station in central Liverpool, allowing onward connectivity to Southport.

This would not involve any changes to the proposed route of HS2. With the final route yet to be revealed for NPR, Lenczner said the comparison here is more difficult to make.

 

“We still haven’t seen the published geographic route for NPR so we can’t say how the Trans-Britain Railway would differ,” he said. “We would be interested to see the plans but rather than wait, we thought this is what it could be anyway.”

Delivering the proposal is estimated to cost between £30bn and £35bn – comparable with the combined costs of the current proposals for NPR and HS2 Phase 2b east, according to Expedition and WW&P.

 

Trans-Britain Railway Route Map (Credit: WW&P/Expedition)

In terms of the current HS2 and NPR proposals, both companies believe a through station at Manchester Piccadilly would be a better option than the currently-proposed terminus station.

This is a concept also reflected in the National Infrastructure Commission (NIC)’s Rail Needs Assessment for the Midlands and North – published in December 2020 – which says that through stations “offer better connectivity, capacity and operational efficiency in city centres than terminus stations”.

Expedition and WW&P have already put forward a proposal for an underground through station at Manchester Piccadilly, and the new Trans-Britain Railway proposal includes plans for a similar underground through station at Leeds.

The new Leeds station would be integrated alongside the existing Network Rail station, providing services to destinations such as Manchester, Liverpool and Preston in the west, and York, Hull and Newcastle to the North and East. It would also offer up to four high speed trains per hour to London via Manchester.

Its platforms would be constructed underground within a box parallel to the existing platforms of the Network Rail station. The construction of the box would allow high speed trains to pass below the River Aire, accommodated in a new culvert.

The new station could also encourage further development of the waterfront, supporting the broader vision of a sustainable city and making the most of the city’s historic and natural assets.

“You’ve only got one chance to make a first impression,” Lenczner said. “This is a chance for people to arrive in Leeds, come out of the station and the first thing they see is river frontage and the River Aire.”

Proposed Leeds TBR and HS2 station comparison (Credit: WW&P/Expedition)

Using underground stations with tunnel approaches means disruption and demolition within existing city centres is minimised. The Trans-Britain Railway line provides new tunnels where it passes through areas of high urban density or significant geographic relief, with tunnels under Warrington, Manchester, the Pennines and Moor Head, for example.

The proposal also includes new intermediate stations, between the HS2 hubs of Manchester and Leeds, suggesting stations at Warrington Bank Quay, Manchester Airport, Manchester Piccadilly, Rochdale Parkway, Bradford Parkway and Leeds City. All of these would be through stations, offering operational efficiency, improved connectivity and increased capacity.

In addition to this, the plans include a new trans-Pennine tunnel between Manchester and Leeds, used by high-speed intercity trains as well as fast regional trains, providing a new fast railway connection between Sheffield and West Yorkshire.

Overall, Lenczner said the integrated approach allows new rail infrastructure to be “optimised in terms of utilization and costs” and improves the environmental impact of the project.

WW&P founding partner Rob Naybour added: “Our proposal shows how HS2 and NPR can be integrated to maximise benefits for the whole country, connecting through the centre of Manchester and Leeds with high frequency services. The design of the new infrastructure helps to create humane and vibrant places and make the most of existing assets. Our proposals for Leeds station show how the historic waterfront and the River Aire could form a centrepiece of a sustainable city.

“The route shows similar connectivity and placemaking can be applied to the towns and regions each side of the Pennines, which can also benefit from direct access to new high-speed network”.

Like what you’ve read? To receive New Civil Engineer’s daily and weekly newsletters click here.

 

 

Alternative northern rail plan tabled to link HS2 and NPR via underground stations

A new filtration plant will start treating water from Portland’s Bull Run Watershed by 2027.

 


The Bull Run Treatment Program in Portland, Ore., has been awarded a $727 million Water Infrastructure Finance and Innovation Act (WIFIA) loan  to help pay for the $1.4 billion modernization being undertaken by the Portland Water Bureau. It is the largest WIFIA grant to date awarded by the Environmental Protection Agency.

The loan will cover nearly half the project’s cost, and favorable financing rates will save the bureau an estimated $247.5 million compared to typical marketing financing.

“This project and EPA’s WIFIA loan illustrate how strategic partnerships can improve public health and help address the impacts of climate change, while creating jobs and saving ratepayers money,” says Radhika Fox, EPA’s acting assistant administrator for water, in a statement.

WIFIA, established in 2014, provides long-term, low-cost supplemental credit assistance for regionally and nationally significant projects. With the Portland loan included, the EPA has now announced 45 WIFIA loans totaling more than $9 billion in credit assistance to help finance over $19 billion for water infrastructure projects.

The Portland Bull Run Treatment Program consists of constructing a new filtration water treatment plant to remove the microorganism cryptosporidium and other contaminants and build water pipelines to connect the filtration facility to existing conduits. In addition, the project will implement improved corrosion control treatment to reduce potential levels of lead at the tap for the watershed’s nearly one million customers. The project will improve the system’s resiliency to fire, landslides, major storms and earthquakes, the bureau and EPA said.

“In Oregon, we are working to center equity as we implement a 100-year vision for strategic investments in water projects and policy, to provide a sustainable water future that addresses the impacts of climate change,” said Gov. Kate Brown (D) in a statement. “We must be forward-thinking in our investments, knowing that our systems must be ready to withstand more severe weather events in the decades to come.”

Portland water customers have received unfiltered water from the federally protected 102 sq mile Bull Run Watershed for more than a century, but traces of cryptosporidium, a potentially disease-causing microorganism, led the Oregon Health Authority to revoke the bureau’s treatment variance. The authority, in a previous statement to ENR, said the “possibility of disease-causing cryptosporidium exists even in a protected watershed like Bull Run.”

The Portland City Council selected water filtration as the best way to handle cryptosporidium because they expect the process to remove an array of organisms from the water supply and potentially allow the city to use less chlorine disinfection in the future. Using less chlorine and removing more organic material could potentially result in fewer byproducts within Portland’s water. The new facility, expected to have a capacity of 145 million gallons per day, will be located just outside the watershed in rural Multnomah County. The project is currently in the design phase with construction scheduled to begin by early 2023 and finish in 2027.

The Bull Run project will also provide more stability in the Portland drinking water. Without filtration, the Bull Run Watershed cannot be used when elevated turbidity or sediment enters the water, common during heavy storms or nearby fires. Filtration will remove sediments, as well as algae that can affect taste.

Along with the low interest rate on the loan, the long-term repayment schedule that doesn’t begin until the project is built provides additional benefits to the overall project costs, says Gabriel Solmer, Portland Water Bureau director.

The remaining project funds will come from a combination of revenue bonds and system funds.

Oregon Sen. Jeff Merkley (D) was a key player in helping create the WIFIA program and he says saving ratepayers money was a driving factor, as was ensuring modern, up-to-date systems to treat water, adding he looks forward to “watching the Bull Run Treatment Project come to fruition.”

Merkley further calls the WIFIA loan and Bull Run Watershed project a “win-win all around for Portland.”

 

EPA’s $727M Loan to Portland Water Bureau the Largest to Date

আমাদের প্রকৌশল রিপোর্ট ।।
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি) বাংলাদেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানী। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড (ডিপিডিসি) ২৫ অক্টোবর, ২০০৫ সালে কোম্পানী আইন ১৯৯৪ এর অধীনে গঠিত হয় যার অনুমোদিত শেয়ার ১০,০০০ (দশ হাজার) কোটি যা ১০০ (একশত) কোটি ১০০ টাকা দামের সাধারণ শেয়ারে বিভক্ত।

২৫ অক্টোবর, ২০০৫ থেকে ডিপিডিসি ব্যবসা আরম্ভ করার অনুমতি লাভ করে এবং অপারেশন শুরু করে ১৪ মে ২০০৭ থেকে। ডেসা থেকে সকল সম্পদ ও দায় দায়িত্ব গ্রহণ করে ১লা জুলাই, ২০০৮ থেকে কোম্পানী বাণিজ্যিকভাবে অপারেশন শুরু করে  । ডিপিডিসি ৬,৫৫,৯০৮  জন গ্রাহক নিয়ে তার অপারেশন শুরু করে এবং বর্তমানে গ্রাহকের  সংখ্যা ১৪,০৪,৬১৩ (সেপ্টেম্বর ২০২০)  এ পৌঁছেছে।

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান



প্রচলিত আইনের কাঠামোর মধ্যে ডিপিডিসির সামগ্রিক পরিচালনার জন্য চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ হলো পরিচালনা পর্ষদ। সরকার কর্তৃক মনোনীত ১২ (বারো) জন পরিচালক দ্বারা বোর্ড গঠিত। পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিপিডিসি’র কৌশলগত ফাংশন একটি ব্যবস্থাপনা দল দ্বারা পরিচালিত হয় যার প্রধান হলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পাঁচ নির্বাহী পরিচালক (যথাক্রমেঃ নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন), নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল), নির্বাহী পরিচালক (আইসিটি এন্ড প্রকিউরমেন্ট), নির্বাহী পরিচালক (ফাইন্যান্স) ও নির্বাহী পরিচালক (এডমিন এন্ড এইচআর))।

কর্পোরেট স্লোগানঃ  নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ – উৎফুল্ল গ্রাহক।

অঙ্গীকারঃ

  • সব গ্রাহকদের জন্য মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ
  • গ্রাহকের প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ
  • গ্রাহকের পরিবর্তিত চাহিদা পুরণের জন্য উদ্যোগ
  • ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম ডিজিটালাইজেশন

মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

  • গ্রাহকদের জন্য: গ্রাহককে যত্নের সঙ্গে নির্ভরযোগ্য এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  • মালিক এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য: কোম্পানীর আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করা
  • সমাজের জন্য: সামাজিক মূল্যবোধ দৃঢ় করা এবং কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব পালন করা
  • জাতির জন্য: জাতীয় প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য প্রচেষ্টা গ্রহণ করা

ডিপিডিসি পথচলার ১৬ বছর

 

শামীম রাহমান

বাইশ হাজার কিলোমিটারের বেশি সড়কের মালিকানা সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের। তাদের আওতাধীন ছোট-বড় সেতু ও কালভার্টের সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮টি। এসব সড়ক, সেতুর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত সড়ক নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে সংস্থাটি। তবে সওজ অধিদপ্তরের সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে জনবল সংকট। মোট অনুমোদিত জনবলের মাত্র অর্ধেক কর্মী নিয়ে সারা দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে সংস্থাটি।

সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, সওজ অধিদপ্তরের মোট পদের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩১, যার মধ্যে ৪ হাজার ৫৪১টি পদই শূন্য। সবচেয়ে বেশি শূন্য রয়েছে তৃতীয় শ্রেণীর পদ। ২ হাজার ৫৭০টি তৃতীয় শ্রেণীর পদ বর্তমানে শূন্য। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ক্যাটাগরিতে শূন্য পদের সংখ্যা ১ হাজার ৫২২। দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে ২১৪টি। প্রথম শ্রেণীতে শূন্য পদ আছে ২০৪টি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) প্রস্তাব, পদোন্নতি, নতুন করে নিয়োগ কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব শূন্য পদ পূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সওজ অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সওজ অধিদপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রথম শ্রেণীর ২০৪টি শূন্য পদের মধ্যে সরাসরি নিয়োগযোগ্য সহকারী প্রকৌশলীর (সিভিল/যান্ত্রিক) ৮৬টি পদ পূরণের প্রস্তাব পিএসসিতে পাঠানো হয়েছে। বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে আরো ছয়টি পদ পূরণের কার্যক্রম চলমান আছে। আর পদোন্নতির মাধ্যমে আটটি পদ পূরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। যদিও পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য ৬৩টি পদ পূরণের জন্য সওজ অধিদপ্তরে কোনো যোগ্য কর্মকর্তা নেই। অন্যদিকে নন-ক্যাডারের সাত পদ পূরণের জন্য সরাসরি নিয়োগের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় শ্রেণীর ৮২টি পদ পূরণের জন্য পিএসসিতে চাহিদাপত্র দিয়েছে সওজ অধিদপ্তর। মামলার কারণে আটকে আছে আরো ৬০টি পদে নিয়োগ, যেগুলো বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ হওয়ার কথা। অন্যদিকে পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য ২০টি পদে সংস্থাটিতে কোনো যোগ্য কর্মকর্তা নেই। শূন্য ২১৪টি পদের মধ্যে বাকি ৪০টি পূরণের জন্য শিগগির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানিয়েছেন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

সওজ অধিদপ্তর সবচেয়ে বেশি জনবল সংকটে ভুগছে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী পদে। এ ক্যাটাগরিতে সংস্থাটিতে শূন্য পদের সংখ্যা ২ হাজার ৫৭০। এসব শূন্য পদের মধ্যে ৬১২টি পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য। তবে যোগ্য কর্মচারীর অভাবে এসব শূন্য পদ পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। আদালতে রিট পিটিশন থাকায় ১৭৩টি পদে ওয়ার্কচার্জড কর্মচারীদের নিয়মিত করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর ২৩১ পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণযোগ্য। তবে যোগ্য কর্মচারীর অভাবে এসব পদ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আটটি রিট পিটিশনে আটকে আছে ওয়ার্কচার্জড সংস্থাপনে কর্মরত ৩২৪ কর্মচারীর নিয়মিতকরণ।

সওজ অধিদপ্তরের ‘মহাসড়কের লাইফ টাইম: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনেও সংস্থাটির জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অপ্রতুল জনবলের কারণে ঠিকমতো দেশের সড়কগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপ্রতুল জনবলের কারণে অধিদপ্তরের একজন প্রকৌশলীকে একাধিক প্রকল্পে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে এসব প্রকল্পের কাজে গুণগত মান ঠিক রাখা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। পাশাপাশি জনবল সংকটের কারণে অধিদপ্তরের বিভিন্ন নিয়মিত কার্যক্রমও বিঘ্নিত হচ্ছে।

জনবল সংকটের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহিরয়ার হোসেন বলেন, শূন্য পদগুলোয় নিয়োগের কার্যক্রম চলমান আছে। পাশাপাশি অধিদপ্তরের নতুন একটি জনবল কাঠামো তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। নতুন জনবল কাঠামো অনুমোদন হলে অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরো বেশি গতিশীল হবে।

 

তথ্যসুত্র :: বণিকবার্তা

অর্ধেক জনবল দিয়ে চলছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর

ওগডেন সেন্টার ফর ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্স বিল্ডিং ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যতের স্থাপত্য কাঠামোগত উন্নয়নের জন্য স্থায়িত্বের মানদণ্ড নির্ধারণ করে


ইন্টার ডেস্ক::

ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় তার নতুন ১১.৫ মিলিয়ন ডলার ওগডেন সেন্টার ফর ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্স স্টুডিও লাইবসাইন্ড (নিউ ইয়র্ক)  ডিজাইন করেছে। ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় মহাজাগতিক এবং মহাকাশ বিজ্ঞানের একটি বড় প্রতিষ্ঠান এবং এটি আশা করা হয় যে নতুন ওগডেন কেন্দ্রের ভবনটি এই অবস্থানকে আরও সীমাবদ্ধ করবে। নতুন কেন্দ্রটি ডারহামের গবেষণার দ্রুত বৃদ্ধি এবং একাডেমিক সাফল্যকে মৌলিক পদার্থবিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্য করবে, সামনের দশকে এটির বিশ্বব্যাপী অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম করবে।

যুক্তরাজ্যের ডারহাম সিটির, লোয়ার মাউন্টজয়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পাশে অবস্থিত, ২,৮৭৮৭৮ বর্গমিটার বিল্ডিংটি ইনস্টিটিউট ফর কমপিটেশনাল কসমোলজি (আইসিসি), বিশ্বের অন্যতম প্রধান মহাজাগতিক গবেষণা দল, কেন্দ্র বহির্মুখী জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র (সিইএ) এবং উন্নত ইনস্ট্রুমেন্টেশন সেন্টার (সিএফএআই)। নতুন ওগডেন সেন্টারে গবেষক, স্নাতকোত্তর গবেষণা শিক্ষার্থী, সমর্থন কর্মী এবং পরিদর্শনকারী শিক্ষাবিদদের জন্য আশিটি নতুন অফিস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ডারহম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কার্লোভাল ইনস্টিটিউট ফর কম্পিউটেশনাল কসমোলজির পরিচালক, প্রফেসর কার্লোস ফ্রেঙ্ক বলেছিলেন: “ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সের নতুন ওগডেন সেন্টারটি ডারহাম সিটির অনন্য স্থাপত্য ঐতিহ্যে এক দুর্দান্ত অবদানকে উপস্থাপন করে। এর নকশাটি একটি শীর্ষ-শ্রেণীর গবেষণা কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা প্রতিফলিত করে, যা আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য উত্সর্গীকৃত: আমাদের ইউনিভার্সটি কখন এবং কখন শুরু হয়েছিল? এটা কিসের তৈরি? গ্যালাক্সি এবং অন্যান্য কাঠামো কীভাবে গঠিত? নতুন ভবনটি একটি আশ্চর্যজনক জায়গা যেখানে কাজ করা উচিত ”।

নকশা

পরিকল্পনার মধ্যে একটি সর্পিল কেন্দ্রটি ধারাবাহিক, স্ট্যাকড এবং ইন্টারলকিং ফর্ম হিসাবে ডিজাইন করা হয়েছে। দায়বদ্ধতার সাথে উত্সাহিত স্কটিশ লার্চ থেকে তৈরি একটি বায়ুচলাচল কাঠের বৃষ্টির পর্দাতে আবৃত  এছাড়াও, উত্তর ও দক্ষিণে ক্যান্টেড পর্দার দেয়ালগুলি সর্পিলটির আকারটি বাড়িয়ে তোলে এবং সুরম্য ডারহাম সিটি এবং ডারহাম ক্যাথেড্রালের দর্শনীয় দৃশ্য সরবরাহ করে।

ভবনের সক্রিয় ফর্মটি তার পরিধিগুলির সাথে প্রাইভেট ওয়ার্ক স্পেসগুলির একটি কঠোর, পুনরাবৃত্তিমূলক প্রোগ্রামকে একত্রিত করে একটি সাম্প্রদায়িক বহু-গল্পের অভ্যন্তরীণ স্থান যা স্পেস সংগ্রহ করে এবং একটি বিশাল কেন্দ্রীয় স্কাইলাইট দ্বারা সক্রিয় করা হয়। কেন্দ্রের জন্য একটি নতুন পরিচয় তৈরি করা হয়েছে যার ফলে অনন্য স্বতন্ত্র পৃথক কর্মক্ষেত্র তৈরি হয়েছে যা সংযোগ এবং সম্প্রদায়কে উপলব্ধি করে।

ড্যানিয়েল লিবাসকিন্ড বলেছিলেন: “এই প্রকল্পটি কীভাবে শক্ত প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয়তার মধ্যে একটি উচ্চ-টেকসই, গতিশীল বিল্ডিংয়ের নকশা করা যায় তার একটি উদাহরণ। হালকা এবং খোলামেলা নকশার মূলে রয়েছে; নকশা প্রক্রিয়াটির প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা সহজ, তবু শক্তিশালী উপকরণ অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং ব্যবহারকারীরা ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং তৈরির অভিজ্ঞতা বিবেচনা করেছেন। ”

কেন্দ্রের দর্শনার্থীরা আলোকিত লবিতে প্রবেশ করান অভ্যন্তরীণ নরম ধূসর কংক্রিট কলাম এবং সিলিংয়ের একটি প্রাকৃতিক প্যালেট নিয়োগ করে, উষ্ণ কাঠের সমাপ্তি এবং হিমশীতল কাচের সাথে যুক্ত। অফিসগুলিকে কেন্দ্রের ঘেরে ঠেলা দিয়ে প্রতিটি স্থান প্রাকৃতিক আলো এবং বায়ুচলাচল থেকে উপকার পেতে পারে। তদ্ব্যতীত, গ্লাসযুক্ত দরজা এবং স্ক্রিনগুলি আরও বাইরে থেকে মধ্য অলিন্দে আলো প্রেরণ করে। উদার ছাদ টেরেসগুলি সতেজ বাতাসকে স্বাচ্ছন্দ্য এবং উপভোগ করার জন্য অনড় মিটিং বা জায়গাগুলির জন্য জায়গা তৈরি করে। কেন্দ্রীয় অলিন্দ এবং সভা অঞ্চলগুলিতে স্কাইলাইটস মার্শাল আলোক। বিল্ডিংয়ের পুরো প্রোগ্রামটি নমনীয়, সাম্প্রদায়িক জায়গাগুলির সাথে জুড়ে রয়েছে।

গ্রাউন্ড ফ্লোর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং একটি সেমিনার / সভা ঘর (১০০ টি আসন) রয়েছে যা ইভেন্টগুলির জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। দ্বিতীয় তলায় একটি কেন্দ্রীয় সামাজিক স্থান রয়েছে যেখানে কর্মী এবং গবেষকরা অনানুষ্ঠানিক ভিত্তিতে একসাথে কাজ করতে পারবেন। এই কেন্দ্রীয় অঞ্চল আনুষ্ঠানিক ডিনার, তহবিল সংগ্রহকারী, উপস্থাপনা বা বিশেষ ঘোষণার জন্য একটি স্থান হিসাবেও কাজ করতে পারে। ভিডিও কনফারেন্সিং সুবিধাসহ সংলগ্ন ব্রেকআউট কক্ষগুলি গ্রুপ আলোচনা এবং আরও বৃহত্তর সহযোগিতার মঞ্জুরি দেয়। তৃতীয় তলায় অতিরিক্ত অফিসের জায়গা রয়েছে এবং এটি নীচের তলাগুলির জন্য উন্মুক্ত।

প্রকৌশল

জটিল প্রোগ্রাম এবং বিল্ডিংয়ের অনন্য সর্পিল আকারে সৃজনশীল প্রকৌশল সমাধানগুলির প্রয়োজন। কলামের অবস্থানগুলি সাবধানে বিবেচনা করতে হয়েছিল, তাদের মধ্যে কয়েকটি বিল্ডিংয়ের স্থাপত্যের জ্যামিতির প্রতিক্রিয়া জানাতে অনন্য পরিকল্পনার মাধ্যম । চিন্তার সাথে অবস্থানযুক্ত কলামগুলি নমনীয় কক্ষ বিন্যাসগুলি বিশ্ববিদ্যালয়কে ক্ষেত্রগুলির প্রসার ঘটাতে এবং স্থানের চারদিকে ঘোরাতে অনুমতি দেয় – কেন্দ্রের ভবিষ্যতের প্রয়োজনগুলি পূরণ করে।

অরূপ প্রকল্পটিতে কাঠামোগত, যান্ত্রিক, বৈদ্যুতিক এবং জনস্বাস্থ্য, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি অ্যাকোস্টিকস, ফেকাডস, জিওটেকনিক্স এবং ফায়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শমূলক পরিষেবা সরবরাহ করেছিল।

অরূপের প্রকল্প পরিচালক অ্যান্ড্রু উইলকিনসন বলেছিলেন: “যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান ও গবেষণা সম্প্রদায় রয়েছে এবং ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ও এর ব্যতিক্রম নয়। এই নতুন সুবিধাটি নতুন অফিস এবং শেখার স্থান তৈরি করে যা পরবর্তী প্রজন্মের বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গবেষক ও পদার্থবিদদের জন্য একটি চাক্ষুষরূপে অনুপ্রেরণামূলক পরিবেশ সরবরাহ করে। ”

টেকসই

ওগডেন কেন্দ্রটি অত্যন্ত শক্তিশালী: ব্যবহারকারীর পরিবেশের মানের দিকে যত্নবান মনোযোগ দেওয়া হয়েছিল; টেকসই উপকরণ নির্বাচন; সুবিধাগুলি ঝরনা এবং বাইক র‌্যাকের সাহায্যে সজ্জিত; এর উন্মুক্ত কংক্রিট সিলিংগুলি নাইট-পার্জ প্রভাবের সুবিধা গ্রহণ করে; এলইডি ফিক্সচারগুলি জুড়ে ব্যবহৃত হয়; গ্রাউন্ড সোর্স হিট পাম্প এবং ছাদে ফটোভোলটাইজ অ্যারের মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উত্সগুলি নিযুক্ত করা হয়; এবং বৃষ্টির পানির সংগ্রহগুলি প্রাকৃতিক দৃশ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

তথ্যসুত্র :: https://www.environmentalengineering.org.uk

ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক স্থাপত্যের সূচনা হয়েছিল

একটি ক্র্যাক প্রতিরোধী ন্যানোম্যাটরিয়াল সিমেন্টের মিশ্রণটি প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপগুলিকে সিল করতে পারে যা মিথেন নির্গমনের একটি সম্ভাব্য উত্স।
পেনসিলভেনিয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপ। কূপগুলি ক্ষতিগ্রস্থ বা অবনতিতে পরিণত হলে, মিথেন সম্ভাব্য পরিবেশে পালাতে পারে।
পেন রাজ্যের গবেষকরা এই সমস্যাটির সমাধানের জন্য একটি নতুন ন্যানোমেটরি
সিমেন্টের মিশ্রণটি তৈরি করেছেন (ক্রেডিট: পরিবেশ সংরক্ষণ বিভাগ)

 

ইন্টার ডেস্ক ::

পেন স্টেটের পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক আরশ দহি তালেহানি বলেন, “আমরা একটি অত্যন্ত নমনীয় সিমেন্ট উদ্ভাবন করেছি যা ফাটল প্রতিরোধে আরো বেশি কার্যকর । “এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ অবহেলিত এবং পরিত্যক্ত কূপ রয়েছে এবং ক্যাসিংয়ের ফাটলগুলি মিথেনকে পরিবেশে ছড়িয়ে দিতে পারে।”

 

যখন প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপগুলি ছিটিয়ে দেওয়া হয়, তখন সিমেন্টটি পাইপ বা সুরক্ষার জন্য আশেপাশের শিলাগুলিতে ব্যবহার করা হয়, একটি সীল তৈরি করে যা মিথেনকে অগভীর উপচেপথে স্থানান্তরিত হতে বাধা দেয়, যেখানে এটি জলপথে বা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে, যেখানে এটি একটি শক্তিশালী গ্রিনহাউস গ্যাস, বিজ্ঞানীরা তেমনটি বলছেন ।

 

ওয়েলস ভূগর্ভস্থ মাইলগুলি প্রসারিত করতে পারে এবং সময়ের সাথে সাথে তাপমাত্রা পরিবর্তন করে এবং চাপগুলি সিমেন্টকে হ্রাস করতে পারে, যার ফলে ফাটল তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে মেরামতগুলি কেসিং এবং শিলার মধ্যে খুব সরু জায়গায় সিমেন্ট ইনজেকশন জড়িত, বিশেষ সিমেন্টের প্রয়োজন।

 

“নির্মাণের সময় সিমেন্ট মিশিয়ে তা চালাতে পারেন, তবে এই কূপগুলিকে সিল করতে এমন একটি অঞ্চল সিমেন্ট করছেন যা মিলিমিটারের চেয়ে কম দৈর্ঘ্যের মধ্যে রয়েছে,” দহি তালেহানি এক বিবৃতিতে বলেছিলেন। “মিথেন অণুগুলি এড়াতে পারে এমন খুব সংকীর্ণ জায়গাগুলির মধ্য দিয়ে সিমেন্টের আরও ভাল পাম্প তৈরি করতে সক্ষম হ’ল এই কাজের সৌন্দর্য” ” প্রায় ২ডি গ্রাফাইট যুক্ত করা সিমেন্টের মিশ্রণ তৈরি করেছে যা এই স্পেসগুলিকে আরও কার্যকরভাবে পূরণ করে। এটি আরও শক্তিশালী এবং আরও দৃঢ় ছিল, বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছিলেন। তারা সম্প্রতি তাদের অনুসন্ধানগুলি গ্রীনহাউস গ্যাস নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক জার্নালে  জানিয়েছে ।

 

কথিত আছে যে বিজ্ঞানীরা ন্যানোম্যাটিলিয়ালের শিটগুলি সিমেন্টের স্লারিতে অভিন্নভাবে বিতরণ করার জন্য একটি বহু-পদক্ষেপ প্রক্রিয়া তৈরি করেছেন। রাসায়নিকের সাহায্যে গ্রাফাইটের প্রথমে চিকিত্সা করার মাধ্যমে, বিজ্ঞানীরা এর পৃষ্ঠতল বৈশিষ্ট্যগুলি পরিবর্তন করতে সক্ষম হন যাতে উপাদানটি প্রতিরোধের পরিবর্তে পানিতে দ্রবীভূত হয়।

 

“আমরা যদি কেবল এই উপাদানটি পানিতে ঢালি এবং এটি মিশ্রিত করি তবে এই ছোট ছোট কণাগুলির একসাথে থাকা এবং একত্রিত হওয়ার প্রবণতা রয়েছে,” দহি তালহানি বলেছিলেন। “যদি তারা সমানভাবে ছড়িয়ে পড়ে না তবে সিমেন্টের ভিতরে গ্রাফাইটটি এতটা শক্তিশালী নয়।”

 

সিমেন্টের মিশ্রণটি মার্সেলাস শেল গ্যাস খেলায় পাওয়া যেমন সক্রিয় অপ্রচলিত কূপগুলিতে বা অনাথ এবং পরিত্যক্ত গ্যাসের কূপগুলিকে সিল করতে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। এটি কার্বন ডাই অক্সাইড ক্যাপচার এবং স্টোরেজ প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতিও দেখায়।

 

সিমেন্টের কর্মক্ষমতা জোরদার করতে আগে ব্যবহৃত অন্যান্য ন্যানোম্যাটরিয়ালগুলির চেয়ে গ্রাফাইট আরও সাশ্রয়ী মূল্যের। এছাড়াও, সিমেন্টকে শক্তিশালী করার জন্য খুব অল্প পরিমাণে উপাদানের প্রয়োজন রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

“এই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় গ্রাফাইট ন্যানোপ্লেলেটগুলির স্বল্প ব্যয় বিবেচনা করে, এই প্রযুক্তিটি শিল্পের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সিমেন্টিংয়ের সমস্যা সমাধানের জন্য একটি অর্থনৈতিক সমাধান দিতে পারে,” দহি তালেহানি বলেছিলেন।

 

সংবাদ সুত্র : https://www.theengineer.co.uk

পেন স্টেটের পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক আরশ দহি তালেহানি বলেন, “আমরা একটি সিমেন্ট উদ্ভাবন করেছি যা ফাটল প্রতিরোধে আরো বেশি কার্যকর

Our Like Page