শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে নবনিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমান শুক্রবার টুঙ্গিপাড়ায় স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
শ্রদ্ধা জানানোর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেন।
এ সময় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাবৃন্দ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন, ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ও সরকারি কর্মচারী সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দ, জেলা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে প্রধান প্রকৌশলী টুঙ্গিপাড়া টিএসসিসহ কয়েকটি নির্মাণ সাইট পরিদর্শন করেন।
গত ২২ ডিসেম্বর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে মো. আরিফুর রহমানকে নিয়োগ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জাতির পিতার সমাধিতে প্রধান প্রকৌশলীর শ্রদ্ধা

পাল্টে গেছে যশোরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেহারা

পাড়া গায়ের একটি নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যশোরের শার্শার পাকশিয়া আইডিয়াল কলেজ। ক’বছর আগে সেখানে ছিল না কোন ভবন। চাঁচের বেড়া ও টিনেই ছাউনি পাঠ দান করা হতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে। শিক্ষার্থীরা এতে মনোকষ্টে ভুগলেও রেজাল্ট দেখে সব কষ্ট ভুলে যেত। এইচএসসির ফলাফলে বিগত কয়েক বছর কলেজটি উপজেলায় সেরা হলে সুদৃষ্টি পড়ে স্থানীয় এমপি শেখ আফিল উদ্দিনের।

তারই চেষ্টায় এ কলেজে এখন ৪তলা একটি ও দুই তলার আরও একটি ভবন নির্মিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠ সুন্দর পরিবেশে শেখাপড়া করছে। শহরের উপকন্ঠে অবস্থিত উপশহর মহিলা কলেজের অবকাঠামোগত অবস্থা পাকশিয়া কলেজের মতো না হলেও প্রতিষ্ঠানটির শ্রেণিকক্ষ সংকট ছিল। সেখানে বর্তমানে ৫তলা একটি, ৪তলা একটি, ৩তলা একটি, দুতলা একটি, একতলা ভবন রয়েছে। অবকাঠামোগত এই উন্নয়ন যাত্রায় পাল্টে গেছে যশোরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসার চেহারা। সুদৃশ্য ভবনে পাঠদানে খুশি শিক্ষকরা। সুষ্ঠ-সুন্দর পরিবেশ পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা।

যশোর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অবকাঠামোগত পরিসংখ্যান দেখলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। এ দপ্তরটি গত ৯ বছর যশোরের ৮ উপজেলার ২৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ করেছে। এজন্য সরকার ব্যয় করেছে ২০৭ কোটি ১৯ লক্ষাধিক টাকা। তাদের হিসেব অনুযায়ী জেলার ৪৮টি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাডেমি ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

‘এডিবি’র অর্থায়নে সাহায্যপুষ্ট মাধ্যমিক শিক্ষাখাত উন্নয়ন’ প্রকল্পে ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের ভবন। ৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬টি উপজেলা সদরে মডেল বিদ্যালয় করা হয়েছে। ‘নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পে জেলার ৬৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন করতে সরকার ব্যয় করেছে ৩৭ কোটি ৪৪ লক্ষাধিক টাকা। আর ১১ কোটি ১৭ লাখ ৯৬ হাজার টাকা ব্যয়ে করা হয়েছে ১৯টি মাদ্রাসায় একাডেমি ভবন।

এছাড়া বেসরকারি কলেজের দ্বিতল একাডেমিক ভবন, বিদ্যামান ভবনের তয় ও ৪র্থ তলা সম্প্রসারণ ও চারতলা একাডেমিক ভবন মিলে মোট ৩০টি কাজে খরচ হয়েছে ৬৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা। একইভাবে অনুন্নত বাজেটের আওতায় অন্যান্য ভবন ও অবকাঠামো খাতের অধীনে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ/সম্প্রসার করা হয়েছে ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এতে ১৭ কোটি ৫৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় করেছে সরকার। আর সরকারি ১২ কলেজের ভবন বাবদ খবর করেছে ১৩ কোটি ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এভাবে ২৮৬ প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের কাজ করেছে যশোর শিক্ষা প্রকৌশল।

জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির যশোর জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ভবন, নির্মাণ, সম্প্রসারণ প্রকল্পের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানে আইসিটি ল্যাব স্থাপন অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাই নতুন শ্রেণিকক্ষে যেমন সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশ ফিরে এসেছে; তেমনি শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি জ্ঞানে বিকশিত হতে পারছে।

একই মতামত ব্যক্ত করেছেন শার্শার পাকশিয়া আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান। তিনি মুঠোফোনে গোনিউজকে বলেন, নতুন ভবনে পাল্টে গেছে শিক্ষার পরিবেশ। শিক্ষকরা স্বস্তির মধ্যে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছে।

একই কথা বলেছেন উপশহর মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ ড. শাহানাজ পারভীন। তিনি  বলেন, তাদের কলেজে ল্যাব, ক্যান্টিন সবই আছে। মেয়েরা সেখানে উন্নত পরিবেশে লেখাপড়া শিখছে।

পাল্টে গেছে যশোরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেহারা

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ১২টি পদে মোট ১ হাজার ১৯৪ জনকে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে পদগুলোয় যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন চাকরিপ্রত্যাশী যেকেউ। অনলাইনে পদগুলোর জন্য আবেদন শুরু হবে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে। এক মাস ধরে চলবে আবেদনের প্রক্রিয়া। আবেদনের শেষ দিন আগামী ২২ অক্টোবর।

পদের নাম ও পদসংখ্যা

হিসাবরক্ষক ২৫
কম্পিউটার অপারেটর ৬৯
সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর
উচ্চমান সহকারী ৩১
সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
স্টোর কিপার
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ৪০
অফিস সহকারী কাম ক্যাশিয়ার ২১
হিসাব সহকারী কাম ক্যাশিয়ার ১৪
ডেটা এন্ট্রি অপারেটর ৪৬৪
অফিস সহায়ক ৫১৫
নিরাপত্তা প্রহরী ১১

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর নেবে ১১৯৪ জন

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

বরিশাল-ভোলা মহাসড়কের বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর নামক স্থানে নির্মিত বরিশাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ভবন, মাল্টিপারপাস ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং টিসার্স কোয়ার্টার ভবন, ছাত্র-ছাত্রী নিবাসসহ ১৮টি কমপোন্ডেট সকল স্তরের প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে দ্রুত সম্পূর্ন করে কারিগরি শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধিদপ্তরে হস্তান্তর করেছে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর নামকস্থানে সড়ক থেকে ৮ ফুট নিছু স্থানের ৮ একর জমি অধিগ্রহণ করে ২০১৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর কাজের ভিত্তিপ্রস্তর করার পর থেকে উক্ত জমিতে নতুন করে বালু ও নতুন মাটি ফেলে জমি ভরাট করার মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রকল্পের কাজ শুরু করেন বরিশাল শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সহকারী প্রকৌশলী কর্মকর্তাগণ।

নির্ধারিত সময় ধরে দেয়ার পূর্বে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ সহ কমপোন্ডেটের কাজ দ্রুততার সাথে শেষ করার মাধ্যমে বিরাট সফলতা দেখাতে সক্ষম হয়েছেন বরিশাল শিক্ষা প্রৌকৌশল অধিদপ্তরের দায়ীত্বশীল কর্মকর্তারা।

এবিষয়ে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশল মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, সদর উপজেলার দুর্গাপুরে সরকারী ভাবে যে জমি অধিগ্রহণ করা হয়, সেখানে এক সময় সড়ক থেকে ৭ থেকে ৮ ফুট নিছু ধানী জমি ছিল।

একইতো নিচু জমি তার ভিতরে চারদিকে পানিতে টৈ টম্বুর ছিল। সে জমিতে নতুন করে বালু ও মাটি ফেলে বরিশাল- ভোলা মহাসড়কের সাথে মিল রেখে সয়েল বয়লিং হতে থাকে। তা নিয়ন্ত্রণ করা সহ জমি ভরাট করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কাজে আমাদের হাত দিতে হয়।

দীর্ঘ ৬ বছরের কঠোরভাবে কাজের তদারকি করার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের টেন্ডার সিডিউল অনুযায়ী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আমাদের দেয়া কাজ বুঝে নিতে হয়।

চারদিকে প্রাচীর নির্মাণ সহ ৮ একর জমির উপর ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ভবন সহ কলেজ ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে আরো যেসকল প্রতিষ্ঠান ভবন থাকা দরকার তা ইতি মধ্যে সবই সম্পূর্ন করা হয়েছে।

এবং সেই সাথে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রকল্পের সকল ভবন নির্মাণ সম্পূর্ন করে কারিগরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এত দ্রুততার সাথে বরিশালে আর কোন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে বলে তার জানা নেই।

সহকারী প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম বলেন, মান ঠিক রাখতে মাঠে তার সর্বক্ষণ খেয়াল রাখা ও দিক নির্দেশনা দেয়ার কারণেই এত দ্রুত এই বিশাল প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পেরেছেন বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সমীর কুমার রজক দাস।

 

ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নির্মাণে বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সফলতা

 

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।

শিক্ষা খাতের উন্নয়ণে সরকার সর্বাধীক বাজেট বরাদ্দ প্রদান করে থাকে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র সরবরাহের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সরকার উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে ।

শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি লাভ করতে পারেনা। স্বাধীনতা যুদ্ধ উত্তর যুদ্ধ বিধস্ত বাংলাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পূন:নির্মাণ ও মেরামতের লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে একটি “প্রকৌশল ইউনিট” গঠনের মাধ্যেমে আজকের এই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সৃষ্টি করেন। স্বাধীনতার পর থেকেই বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়েদেশের প্রতিটি মানুষকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে কাজ শুরু করেন । এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় । শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ভবন নির্মান, বিদ্যমান ভবনগুলোর সম্প্রসারন ও রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও সংস্কার এবং আসবাবপত্র সরবরাহ করার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অজস্র স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ অধিদপ্তরের নিবেদিত প্রকৌশলী ও কমকর্তা-কর্মচারিগণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নততর অবকাঠামো তৈরি করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । রুপকল্প ২০২১  এর আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যুগোপযোগি ও মানসম্মত শিক্ষার প্রসারে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, আইসিটি ল্যাব স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগ, আইসিটি সুবিধাসহ ভবন নির্মাণ করে যাচ্ছে ।

 

ভিশন ২০২১ সালের মধ্যে সবার জন্য মানসম্মত ও যুগোপযোগী শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ এবং মিশন সুশিক্ষিত, দক্ষ ও উন্নত নৈতিকতা সম্পন্ন মানব সম্পদ সৃষ্টি করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও কর্মচারিগন নিরলস কাজ করে যাচ্চে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যাবলী:
•        শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা, ডিজাইনিং, পরিবীক্ষণ ও উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন;

  • স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নুতন ভবন নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র সরবরাহ।
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
  • অন্য মন্ত্রণালয় বা সংস্থার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজ বর্তালে তা বাস্তবায়ন।

 

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে

Our Like Page