ঢাকার প্রথম ফ্লাইওভার প্রকল্প খিলগাঁও ফ্লাইওভার

আমাদের প্রকৌশল ডেস্ক ।।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর ( LGED) এর কতৃক বাস্তবায়িত খিলগাঁও ফ্লাইওভার বাংলাদেশের সর্বপ্রথম এবং বৃহত্তর ফ্লাইওভার হিসেবে স্বীকৃত।। এরপর মহাখালী ফ্লাইওভার প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং মহাখালী ফ্লাইওভারই প্রথম চালু হয়। সে হিসেবে মহাখালী ফ্লাইওভারই ঢাকার প্রথম ফ্লাইওভার। এরপর খিলগাঁও এবং তেজগাঁও ফ্লাইওভার চালু হয়।গণপ্রজতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করেন। এই ফ্লাইওভার চালু হওয়ার কারনে যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ ও মতিঝিলে যাতায়াতকারীদের ভোগান্তি অবসান হয়।
খিলগাঁও উড়ালসেতু ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ত একটি উড়ালসেতু। এটি একদিকে রাজারবাগকে সংযুক্ত করেছে অন্যদিকে মালিবাগকে এবং তৃতীয় দিকে সায়েদাবাদকে। ২০১৬ সালে নির্মাণকৃত আরেকটি লুপ  মাদারটেক, কদমতলী, বাসাবো ও সিপাহীবাগকেও যুক্ত করেছে উড়ালসেতুর সাথে। ১.৯ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ উড়ালসেতুর নির্মাণকাজ শুরু  হয় ২০০১ সালে এবং সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয় ২০০৫ সালের মার্চ মাসে। ১৪ মিটার চওড়া খিলগাঁও উড়ালসেতু নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ৮১.৭৫ কোটি টাকা। এটি নির্মাণের ফলে খিলগাঁও রেল ক্রসিংয়ের জ্যামের পরিমাণ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।
শহরের কেন্দ্রস্থল যানজট নিরসনের জন্য দেশের দ্বিতীয় ও বৃহত্তম ফ্লাইওভারটি খিলগাঁওয়ের নিকটে ব্যস্ত রোড-রেল মোড়, দক্ষিণে রাজারবাগ, পশ্চিমে মালিবাগ এবং পূর্বে সায়েদাবাদকে সংযুক্ত করে নির্মিত হয়েছিল।
১.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৪ মিটার প্রশস্ত এই ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজ ২০০১ সালে ৮১.৭৫  কোটি টাকা ব্যয়ে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ ব্যয়সহ শুরু হয়েছিল। ফ্লাইওভারটিতে একটি ৭৮০ মিটার মূল সেতু এবং তিনটি র‌্যাম্প রয়েছে। সায়েদাবাদের দিকে ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ৩০৩ মিটার, মালিবাগ ১৯০ মিটার এবং রাজারবাগ ২৮৫ মিটার। সায়েদাবাদ অভিমুখে র‌্যাম্পটি ২২০ মিটার, মালিবাগ ২০২ মিটার এবং রাজারবাগ ২২২ মিটার।

     More News Of This Category

Our Like Page